স্টাফ রিপোর্টার: দেশের চলমান বন্যায় ১১টি জেলা আক্রান্ত হয়েছে। জেলাগুলো হলো-ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, সিলেট, লক্ষীপুর ও কক্সবাজার। বন্যা প্লাবিত উপজেলা ৭৭টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন ও পৌরসভা ৫৮৭টি। এতে মোট ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৮ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৪৯ লাখ ৩৮ হাজার ৫৩৫ জন। এ পর্যন্ত মৃত লোকসংখ্যা ১৮ জনের মধ্যে মহিলা ২ জন। কুমিল্লায় ৪ জন, ফেনীতে ১ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, নোয়াখালীতে ৩ জন, ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় ১ জন, লক্ষীপুরে ১ জন ও কক্সবাজারে ৩ জন মৃতুবরণ করেছে। পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আশ্রয় প্রদানের জন্য মোট ৩ হাজার ৫২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মোট ২ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮৮ জন লোক ও ২১ হাজার ৬৯৫টি গবাদি পশুকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। এছাড়া, ১১ জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য মোট ৭৭০টি মেডিকেল টিম চালু করা হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ কামরুল হাসান আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে এ সকল তথ্য উপস্থাপন করেন।
এ সময় সচিব বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণের জন্য বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে মোট ৩ কোটি ৫২ লাখ নগদ টাকা, ২০ হাজার ১৫০ মে.টন চাল এবং ১৫ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার, ৩৫ লাখ টাকা শিশু খাদ্য এবং ৩৫ লাখ টাকা গো-খাদ্য বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৩৫ লাখ টাকা ও ১ হাজার ৬শ মে.টন চাল, শিশু খাদ্য ৫ লাখ টাকা ও গো-খাদ্য ৫ লাখ টাকা; কুমিল্লায় ৪৫ লাখ টাকা ও ২ হাজর ৬শ মে.টন চাল; ফেনীতে ৬২ লাখ টাকা, ২ হাজার ৯শ মে.টন চাল ও ৬ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার, শিশু খাদ্য ৫ লাখ টাকা ও গো-খাদ্য ৫ লাখ টাকা; নোয়াখালীতে ৪৫ লাখ টাকা, ২ হাজার ৬শ মে.টন চাল ও ১ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার, শিশু খাদ্য ৫ লাখ টাকা ও গো-খাদ্য ৫ লাখ টাকা; সিলেটে ৪৫ লাখ টাকা, ২ হাজার ৬শ মে.টন চাল ও ৪ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার, শিশু খাদ্য ৫ লাখ টাকা ও গো-খাদ্য ৫ লাখ টাকা; মৌলভীবাজারে ৩০ লাখ টাকা, ২ হাজার ৩৫০ মে.টন চাল ও ১ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার; হবিগঞ্জে ৩৫ লাখ টাকা, ২ হাজার ৪শ মে.টন চাল ও ৩ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার, শিশু খাদ্য ৫ লাখ টাকা ও গো-খাদ্য ৫ লাখ টাকা; ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় ১৫ লাখ টাকা, ১ হাজার ৬শ মে.টন চাল; লক্ষ্মীপুরে ১০ লাখ টাকা, ৫শ মে.টন চাল, শিশু খাদ্য ৫ লাখ টাকা ও গো-খাদ্য ৫ লাখ টাকা; খাগড়াছড়িতে ১০ লাখ টাকা, ৫শ মে.টন চাল এবং কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা, ৫শ মে.টন চাল, শিশু খাদ্য ৫ লাখ টাকা ও গো-খাদ্য ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া, দেশের সকল জেলায় পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রয়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ সহায়তা প্রদানের জন্য আগ্রহী ব্যক্তিগণ প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল, সোনালী ব্যাংক কর্পোরেট শাখা, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, হিসাব নম্বর-০১০৭৩৩৩০০৪০৯৩ এ প্রেরণ করতে পারবেন। অন্যদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। তথ্য ও সহযোগিতার জন্য ০২৫৫১০১১১৫ নম্বর চালু রয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার: কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে অবশ্যই সাশ্রয়ী পন্থায় বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থি ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ এর উপনির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০ ...
মোঃ রায়হান উদ্দিন, বেনাপোল প্রতিনিধি: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার লক্ষ্যে বিজিবি ও বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের ব ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভ ও অসন্তোষের দিকে ভারত নজর রাখছে। আজ মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপ ...
সব মন্তব্য
No Comments