বিরোধীদলীয় নেতার ক্ষোভ-উদ্বেগ

সংবিধান অনুযায়ী ‘সংস্কার পরিষদ’ বলে কিছু নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ : 15 Mar 2026
সংবিধান অনুযায়ী ‘সংস্কার পরিষদ’ বলে কিছু নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের রায়ের আলোকে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন এবং নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের কথা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণরে দিন থেকে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে টানাপোড়ন চলছে। সর্বশেষ এ নিয়ে সংসদ অধিবেশনে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সরকারি দলের সদস্যরা শপথ না নেওয়ায় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংবিধানে ‘সংস্কার পরিষদ’ বলে কিছু নেই। জুলাই সনদে সংস্কার পরিষদের কথা বলা হয়েছে, তা বাস্তবায়নের আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সসদস্যের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোটের সদস্যরা। তবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারি দল ও স্বতন্ত্র সদস্যরা সংস্কার পরিষদের শপথগ্রহণ করেননি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট হয়। ৬৮ শতাংশের বেশি ‘হ্যাঁ’ ভোটে আদেশটি অনুমোদিত হয়। আদেশ অনুযায়ী, ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে জুলাই সনদের ৪৮ সাংবিধানিক সংস্কার প্রস্তাবের ৩৮টি বাস্তবায়ন করতে হবে। বাকি ১০টি বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক নয়। দলগুলো নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) অনুযায়ী, এসব সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করতে পারবে। গণভোটের প্রশ্নে ছিল, সনদে বর্ণিত পদ্ধতির আলোকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, ন্যায়পাল এবং দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন বাদে বাকি সংস্কারগুলোতে বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে। বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে স্বোচ্চার থাকলেও সংস্কার পরিষদের বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করেছে।

গণঅভ্যুত্থানের অভিপ্রায়ের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতির জারি করা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে বলা হয়েছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে ১৮০ কার্যদিবস মেয়াদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। এই পরিষদ অনুযায়ী, সনদে বর্ণিত উপায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার; নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য কমিশন এবং চলতি সংসদেই উচ্চকক্ষ গঠনের বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করবে। যে ৩০ সংস্কার প্রস্তাবে সব দলের ঐকমত্য হয়েছিল, সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে পরিষদকে।

আদেশের ১০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচনের ৩০ দিনের সংসদ অধিবেশন আহ্বানের অনুরূপ পদ্ধতিতে পরিষদের আহ্বান করতে হবে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করবেন। কিন্তু এই সময় শেষ হলেও অধিবেশন আহ্বান করা হয়নি। এ নিয়ে সংসদের ভিতরে বাইরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিরোধী দল।

গতকাল রবিবার স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে কথা বলার সুযোগ চাল বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। স্পিকার প্রশ্নোত্তর পর্বশেষে সময় দেওয়া হবে বলে জানান। পরে ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে যে পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করা হয়, অনুরূপ পদ্ধতিতে পরিষদের প্রথম অধিবেশনও আহ্বান করতে হবে। আজ সেই ৩০তম দিন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী সংসদ আহ্বান করেন। আমরা ধরে নিচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই হয়তো রাষ্ট্রপতি এই অধিবেশন আহ্বান করবেন, কিন্তু সময় পার হয়ে যাচ্ছে।

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আইন অনুযায়ী, নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা একইসঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বিধি অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের পর আমরা বিরোধীদলীয় ৭৭ জন সদস্য নির্ধারিত তফসিলে স্বাক্ষরও করেছি। তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই সনদ ও গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এরপরই পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে। কিন্তু আগে তো শুরু হতে হবে, তারপর সমাপ্তির প্রশ্ন। আমরা পৃথক ব্যালটে সংস্কারের জন্য ভোট নিয়েছি। ফলে পরিষদ গঠন ও অধিবেশন আহ্বানের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

ওই বক্তব্যের জবাবে সংসদে কথা বলেন সরকারি দলের সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ আহ্বান করেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের না। পরিষদের বিষয়টি এখনো বিচারাধীন। সংবিধানে ‘সংস্কার পরিষদ’ বলতে কিছু নেই। জুলাই সনদে যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কথা বলা হয়েছে, তা বাস্তবায়নের আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে। এটি যদি আইনে পরিণত হয়, তখন দেখা যাবে। আর বিষয়টি এখনো উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। তিনি আরো বলেন, যদি গণভোটের রায় অনুসারে সেটা ধারণ করতে হয় কনস্টিটিউশনে সেটা সংবিধানের আগে সংশোধনী হতে হবে। সেটা সংসদে আলাপ আলোচনা হবে। সংবিধান সংশোধন হলে সেটা সংবিধানে ধারণ হবে। তারপরে যদি পরিষদ হয় তারপরে যদি ফর্ম হয় যদি শপথ গ্রহণ করতে হয় সেটা পরের ব্যাপার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ অপশন থাকলেও মাঝপথে একটি আদেশের মাধ্যমে চারটি জটিল প্রশ্ন যুক্ত করা হয়েছিল। ব্যালটের প্রশ্নগুলো পড়ার জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন ছিল এবং চারটি প্রশ্নের জন্য আলাদা আলাদা ‘হ্যাঁ/না’ অপশন ছিল না। এই সংবিধান সংস্কারের বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোটের সার্টেন পোরশন কেন আনকন্সটিটিউশনাল ডিক্লেয়ার করা হবে না, সেই মর্মে রুলও জারি করা হয়েছে। এখানে হয়তো জুডিসিয়ারি মতামত দিবে, বাট জুডিসিয়ারির মতামত এই সভরেন পার্লামেন্টের ওপরে কখনো বাইন্ডিং না। কিন্তু সংসদ এমন কোনো আইন করতে পারে না, যা বিচার বিভাগে চ্যালেঞ্জ হয়ে বাতিল বা অসাংবিধানিক হয়ে যায়। সুতরাং উভয় দিকে লক্ষ্য রেখে বৃহত্তর স্বার্থে আইনানুগভাবে এবং সাংবিধানিকভাবে যেতে হবে। তিনি বলেন, কিন্তু আরেকটা আইন হয়েছে, গণভোটের জন্য, এটা আমরাও প্রস্তাব করেছিলাম- যেহেতু আইনি ভিত্তি চেয়েছেন সবাই। ফলে জুলাই জাতীয় সনদের বিষয়ে জনগণ কী বলে আমরা দেখি। সেখানে জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে সই হয়েছে, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে ঐতিহাসিকভাবে যেটা সই হয়েছে। তার ওপর ভিত্তি করে জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে এ দেশের জনগণ আছে, কি নাই সেই প্রশ্নে গণভোট হওয়া যেতে পারে। দীর্ঘ বাহাসের পর একদিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গণভোট প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ব্যালটে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ লেখা ছিল। কিন্তু এই আদেশটা মাঝখানে জারি করে আরেকটা প্রশ্ন ওখানে ইনট্রোডিউস করে দেওয়া হয়েছে, গণভোট দেওয়া হলো চারটা প্রশ্ন। যে প্রশ্নের মধ্যে একটা বিশাল প্রশ্ন জুলাই জাতীয় সনদে সমঝোতা হয়নি। ব্যালটে একটা জবরদস্তিমূলক আরোপিত আদেশ ছিল। আদেশের একটা প্রশ্ন গণভোটের মধ্যে দেওয়া হলো যেটা আমার পড়তে লাগছে সাড়ে তিন ঘণ্টা। জনগণ সেটা পড়ে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ দিয়েছে কি না আমি জানি না। তবে চারটা ভোট, চারটা প্রশ্ন, সেই প্রশ্নের মধ্যে একটা অ্যানসার দিতে বলা হয়েছে- ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ বলুন। কিন্তু চারটা ভোটের তো চারটা প্রশ্ন থাকা উচিত ছিল যে আমরা কোন কোন প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বলবো, কোন কোন প্রশ্নে ‘না’ বলবা; সেই অপশনও ছিল না। আমি সেই লম্বা বাহাসে যাচ্ছি না। তারপরও গণভোটের রায় যদি বাস্তবায়ন করতে হয়, সেই গণভোট এই আইন অনুসারে- সেই রায় অনুসারে সংবিধানে আগে সংস্কার আসতে হবে, সংবিধানে সংশোধন আসতে হবে। সংবিধানে যদি সেটা আমরা গ্রহণ করি, তারপরে সেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য তখন পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হবে, সেটা তখনকার ব্যাপার হবে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন, বর্তমান অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা থাকায় এই মুহূর্তে সংবিধান সংশোধনী বিল আনা কঠিন। তবে আগামী বাজেট অধিবেশনে কার্যউপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটি গঠন এবং বিল উত্থাপন করা যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল। আমরা এর প্রতিটি শব্দের প্রতি দায়বদ্ধ। কিন্তু কোনো অবৈধ আদেশের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা যায় কি না, তা একটি বড় সাংবিধানিক প্রশ্ন। আসুন আমরা কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে বসে আলোচনার মাধ্যমে বিল উত্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিই। সংবিধান মেনে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ১১ দলীয় জোটের ॥ সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়টি সংসদের ভেতরেই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায় জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। তবে সংসদে সুষ্ঠু সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে তারা। সংসদের অধিবেশন মূলতবি হওয়ার পর সংসদ ভবনের গেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্পিকারের অনুরোধ অনুযায়ী আমরা নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ প্রদান করব। আমরা আন্তরিকভাবেই চাই, এই সমস্যার সমাধান সংসদের ভেতরেই হোক। কিন্তু কোনো কারণে যদি সংসদের ভেতরে স্বাভাবিক সমাধান না পাওয়া যায়, তবে বাধ্য হয়ে আমাদের রাজপথে আন্দোলনে যেতে হবে। যদিও আমরা তা চাই না। তিনি বলেন, যেহেতু বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে এবং স্পিকার নোটিশ দিতে বলেছেন, তাই সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন, এ প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা এটাকে কার্যউপদেষ্টা কমিটির বিষয় মনে করি না। এটি সরাসরি সংসদের বিষয়। আমরা চাই সংসদেই এর চূড়ান্ত সমাধান হোক। তিনি বলেন, সংবিধানে ২০২৬ সালে কোনো ভোটের কথা ছিল না, কিন্তু রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে তা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশের একটি অংশ সংবিধানের বাইরে গেলেও মানবেন, আর অন্য অংশ মানবেন না, এটা হয় না। মানলে পুরোটাই মানতে হবে, না হলে কোনোটিই নয়। তিনি বলেন, জনগণের ইচ্ছাই হলো সর্বোচ্চ সংবিধান। গণভোটে ওনারাও (সরকারি দল) সম্মত ছিলেন, আমরাও ছিলাম। আমাদের দাবি ছিল গণভোট আগে হওয়ার, ওনাদের দাবি ছিল নির্বাচনের দিনই হোক। শেষ পর্যন্ত ওনাদের দাবিই বাস্তবায়িত হয়েছে এবং গণভোটে সংস্কারের পক্ষের প্রস্তাব জয়ী হয়েছে। সুতরাং এখন পিছিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

শেষ পর্যন্ত সরকার দাবি মানবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই যে সরকার জনগণের ম্যান্ডেটকে সম্মান দিয়ে আমাদের দাবি মেনে নেবে।


সম্পর্কিত খবর

;