স্টাফ রিপোটার: ক্রমবর্ধমান বৈষম্য ও অসমতা দূর করতে সম্পদশালীদের কাছ থেকে কর আদায় নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সাউথ এশিয়া অ্যালায়েন্স ফর পভার্টি ইরাডিকেশন (স্যাপি)। আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সংহতি সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়।
বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের (বিএনপিএস) নির্বাহী পরিচালক ও স্যাপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা রোকেয়া কবীরের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক প্রফেসর এম এম আকাশ, জনউদ্যোগের আহবায়ক ডা. মুশতাক হোসেন, শ্রমিক নেতা আবুল হোসেন ও রুহুল আমিন, জনউদ্যোগের সমন্বয়কারী তারিক হোসেন মিঠুল, ইনসিডিন বাংলাদেশের অপারেশন চিফ মুশফিকুর রহমান সাব্বির প্রমূখ। বিএনপিএস’র পরিচালক শাহনাজ সুমির পরিচালনায় সংহতি সমাবেশের প্রতিবাদী গান করে গানের দল ‘মাদল’।
সমাবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা রোকেয়া কবীর বলেন- ‘দণি এশিয়ার জনগোষ্ঠী জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও লিঙ্গ নির্বিশেষে বৈষম্যের শিকার। শুধু বাংলাদেশে নয়, পৃথিবীজুড়েই ধনী-দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য বেড়েই চলেছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনধারণের ন্যূনতম প্রয়োজন মেটানো যাচ্ছে না। অথচ করোনার সময় মুষ্টিমেয় ব্যক্তি আরো ধনী হয়েছে। বাংলাদেশে শ্রমিক ও নারীরা তাদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত। এটা মানবাধিকার, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নারী আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থী। ওর্য়াল্ড ইকোনোমিক ফোরামের মত ফোরামগুলো ধনীদেশগুলোর স্বার্থ রা করে চলেছে। আমরা এ ধরণের অর্থনৈতিক আলোচনাকে প্রত্যাখ্যান করি। ধনীদের ওপর যদি উপযুক্ত কর আরোপ করা যায় তাহলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও শ্রমিকদের কল্যাণে ব্যয় করা সম্ভব হবে।
অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, বিশ্ব জনসংখ্যার যে অর্ধেক অংশ চরম দরিদ্র, তাদের নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের মোট সম্পদের মাত্র দুই শতাংশ। অন্যদিকে, বিশ্ব জনসংখ্যার যে ১০ শতাংশ মানুষ সবচেয়ে ধনী তাদের দখলে বিশ্বের ৭৬ শতাংশ সম্পদ। অতিমারীসহ নানান সংকটের ফলে বিশ্বের লাখ লাখ মানুষ যখন নতুন করে দরিদ্রে পরিণত হয়েছে, ঠিক সেই সময়ে অল্প কিছু সংখ্যক মানুষের হাতে বেশিরভাগ সম্পদ কুগিত হয়েছে। বিশেষত, সাম্প্রতিক সময়ে কোভিড-১৯ অতিমারিকালে এটি সবচাইতে বেশি ঘটেছে। তিনি আরো বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ৬৪ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। ফলে ডলার সংকট তৈরি হয়েছে। ভারসাম্যহীনতার কারণে শীর্ষ এক শতাংশের হাতে সকল সম্পদ কুগিত হচ্ছে। এই ভারসাম্যহীনতা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে ধনীদের সম্পদের ওপর কর আরোপ করতে হবে।
শ্রমিক নেতা আবুল হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের ৫০ লাখ গার্মেন্টস শ্রমিকের সবাই দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করে। অথচ মালিকেরা শ্রমিকের সস্তা শ্রম ও লুটপাটের মাধ্যমে তাদের সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। বাংলাদেশকে ঢেলে সাজাতে হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ঢেলে সাজাতে হবে। ধনীদের ওপর প্রগতিশীল সম্পদ কর আরোপ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হলে অবশ্যই ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য দূর করতে হবে।
স্টাফ রিপোর্টার: কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাশিয়া থেকে আনা ইউরেনিয়ামের আরেকটি চালান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে। প্রথমবারের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতুর প্রচলিত রুট ব্যবহার ...
স্টাফ রিপোর্টার: মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে প ...
স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা রুটে নতুন এক জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চালু হচ্ছে। রেলপথ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ রেলওয়ের এ সংক্রান্ত প্রস্তাব ৪ নভেম্বর অনুমোদন করেছে।অনুমোদিত প্রস্তাবনা ...
স্টাফ রিপোর্টার: মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের পর ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আগ ...
সব মন্তব্য
No Comments