স্টাফ রিপোর্টার: ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের জন্য নতুন করে অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করেছে দেশটি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের বিপরীতে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি হারে সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি (এসএনএ) চার্জ দাবি করা হয়েছে। নতুন এই চার্জ যুক্ত হলে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে বাংলাদেশের ব্যয় কিছুটা বাড়বে, যদিও কর্মকর্তারা বলছেন ব্যয় খুব বেশি বাড়বে না।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ আগস্ট এ বিষয়ে অর্থ বিভাগে একটি চিঠি পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। চিঠিতে বলা হয়, ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ বাণিজ্য নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) মধ্যে এসএনএ চুক্তি করতে হবে। চুক্তি করতে দেরি হলে এনভিভিএনের মাধ্যমে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই চুক্তির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি চাওয়া হয়েছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিইআরসি) আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য এই এসএনএ ব্যবস্থা চালু করেছে। সিইআরসির ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখের চূড়ান্ত সংশোধনী অনুযায়ী, প্রথমে প্রতি ইউনিটে ১ পয়সা বা ০.০১ রুপি চার্জের প্রস্তাব করা হয়েছিল। পরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আবেদন ও শুনানির পর তা কমিয়ে ০.৫ পয়সা বা ০.০০৫ রুপি নির্ধারণ করা হয়। সিইআরসি জানিয়েছে, এসএনএ-র বার্ষিক ৮ কোটি রুপি খরচ এবং প্রায় ১৮,০০০ মিলিয়ন ইউনিটের মোট শিডিউল বিবেচনায় এই হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও পিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, এসএনএ চার্জ বিদ্যুতের দাম নয়। এটি আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ বাণিজ্যের গ্রিড অপারেশন ও লেনদেন নিষ্পত্তির খরচ। এর আওতায় রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহের শিডিউল করা, মিটার থেকে ব্যবহারের তথ্য নেওয়া, সরবরাহ ও ব্যবহারের হিসাব মেলানো, ডেভিয়েশন চার্জ, রিঅ্যাকটিভ এনার্জি চার্জ নিষ্পত্তি এবং গ্রিড পরিচালনার মতো কাজ। ভারতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য প্রতিটি দেশে একটি করে এসএনএ নিয়োগ করা হয়েছে এবং বাংলাদেশের জন্য এনভিভিএনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পিডিবি সূত্র জানায়, বর্তমানে ভারত থেকে মোট ২,৬৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে এনভিভিএনের মাধ্যমে সরকারি পর্যায়ে এনটিপিসির কেন্দ্র থেকে ২৫০ মেগাওয়াট, দামোদর ভ্যালি করপোরেশন (ডিভিসি) থেকে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি করপোরেশন থেকে ১৬০ মেগাওয়াট আমদানির ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে সেম্বকর্প এনার্জির কেন্দ্র থেকে ২০০ মেগাওয়াট এবং সেম্বকর্প থেকে সরাসরি আরও ২৫০ মেগাওয়াট আমদানির চুক্তি রয়েছে। সব মিলিয়ে এই ১,১৬০ মেগাওয়াটের জন্যই এনভিভিএন ও পিডিবির মধ্যে নতুন এসএনএ চুক্তি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, এর বাইরে ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় নির্মিত আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১,৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে। ওই চুক্তির মধ্যেই এ ধরনের গ্রিড-সংক্রান্ত চার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকায় আদানির বিদ্যুতের জন্য আলাদা এসএনএ চুক্তির প্রয়োজন হবে না।
বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, ভারত থেকে নেপাল ও ভুটানে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও একই হারে ০.০০৫ রুপি এসএনএ চার্জ নেওয়া হচ্ছে। এনভিভিএনের সঙ্গে চুক্তি হলে লেনদেন সহজ হবে এবং সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে আলাদাভাবে বিল পরিশোধের জটিলতা কমবে।
স্টাফ রিপোর্টার: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিশেষ সুবিধা শেষ হয়েছে। ফলে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে আগের নিয়মে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জরুরি নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে www.bb.org.bd ঠিকানায় প্রবেশ করতে গেলে রক্ষণাব ...
স্টাফ রিপোর্টার: ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন-বাজুসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাজুস।সংগঠনের প্রেসিডেন্ট এন ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রৌপ্যের দাম সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)। বুধবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এন্ড প্রাইস মনিটরিং এর সভায় এ সিদ ...
সব মন্তব্য
No Comments