শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা

পাঁচ বিভাগের ঝড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

প্রকাশ : 09 Apr 2026
পাঁচ বিভাগের ঝড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

স্টাফ রিপোর্টার: ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়ে জরুরি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বা তারও বেশি বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে। এ সময় বজ্রপাতের পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।


আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্তমানে লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে, আর মৌসুমি স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থির আবহাওয়া বিরাজ করছে।


আজকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে এবং রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।


তাপমাত্রার ক্ষেত্রে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পেতে পারে। ঢাকায় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হলেও দমকা হাওয়ার সময় তা পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। সকালে ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ।


পরবর্তী কয়েক দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ১০ এপ্রিল থেকে দেশের কিছু অঞ্চলে বৃষ্টি কমে এলেও বিচ্ছিন্নভাবে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। ১১ ও ১২ এপ্রিল দেশের অধিকাংশ এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে, তবে কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। ১৩ এপ্রিলেও চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।


এদিকে, আগামী কয়েক দিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসেও তাপমাত্রা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।


আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, কালবৈশাখী ঝড়ের সময় খোলা জায়গায় অবস্থান না করা, উঁচু গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে আশ্রয় না নেওয়া এবং নৌযানকে নিরাপদে রাখার মতো প্রয়োজনীয় সতর্কতা অনুসরণ করা জরুরি।

সম্পর্কিত খবর

;