স্টাফ রিপোটার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গর্বের পদ্মাসেতুর বাস্তবযাত্রা শুরুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা বলেছেন, পদ্মা সেতু আমাদের মর্যাদা ও সক্ষমতার প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী মাওয়া প্রান্তের সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন। উদ্বোধন করেছেন স্মারক ডাক টিকেট । কিছু ক্ষনের মধ্যেই শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাওয়ার উদ্বোধন ও সুধী সমাবেশে শেষে যাবেন জাজিরা প্রান্তে। সেখানে উদ্বোধন শেষে জনসমাবেশে বক্তৃতা করবেন।
এসময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।
উদ্বোধনী সুধী সমাবেশের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চারনেতা ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও পনেরোই আগস্টের নিহতদের স্মরণ করেন। দেশ ও বিদেশে বসবাসরত বাংলার আপামর জনতার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
প্রকৌশলী জামিলুর রেজা চৌধুরীসহ এই সেতু নির্মাণকালীন যারা মৃত্যুবরণ করেন তাদেরও স্মরণ করেন তিনি। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে যে ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের মানসিক অত্যাচারের মধ্যে রাখা হয়েছিল তাদের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। নিজের মা-বাবার কথা স্মরণ করতে গিয়ে আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। ষড়যন্ত্রকারীদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।
বক্তব্যের পর তিনি বাংলাদেশ ডাকবিভাগ কর্তৃক বিশেষ ডাকটিকেট ও স্যুভেনির উন্মোচন করেন। এরপর তিনি উন্মোচন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের একশ টাকার বিশেষ নোট। চাইনিজ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সেতুর রেপ্লিকা তুলে দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর এক পাশে ছিলেন খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, অন্যপাশে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আর তার পাশে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম ছিলেন।
স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, কূটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন, ভারতের হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলেন নেতারা।
উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী টোল দিয়ে সেতু পেরিয়ে যান ওপারে, শরীয়তপুরের জাজিরায়।সেখানে যথারীতি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে মাদারীপুরের বাংলাবাজারে অংশ নেন আওয়ামী লীগ আয়োজিত লাখো মানুষের জনসভায়। রোববার পদ্মা সেতু খুলে দেওয়া হবে চলাচলের জন্য।
৩০১৯৩ কোটি টাকা ব্যায়ে পদ্মার বুকে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুতে গাড়ি ও রেল দুটোই চলবে। নিজস্ব অর্থায়নে এই সেতুর কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর, শেষ হল সাত বছরে।
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমাদের পরিচয়ের ক্ষেত্রে পাহাড়, সমতল, জাতি-গোষ্ঠী কিংবা ধর্ম কোনো বিভাজনের কারণ হতে পারে না; আমরা সবাই বাংলাদেশের না ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগামীকাল ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:“মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আমি দেশের সকল নাগরিককে ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় চার নেতার নাম এবং ‘জয় বাংলা’ নামে থাকা বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের পাঁচটি জাহাজের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। পূর্বের নাম পরিবর্তন করে জাহাজগুলোর জন্য নতুন নাম অনুমোদন দিয়ে কোস্টগার্ডে ...
স্টাফ রিপোর্টার: কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাশিয়া থেকে আনা ইউরেনিয়ামের আরেকটি চালান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে। প্রথমবারের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতুর প্রচলিত রুট ব্যবহার ...
সব মন্তব্য
No Comments