পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ : 13 Apr 2026
পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী একটি বাণী দিয়েছেন। এতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদায় ১৪৩২ এবং স্বাগত ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ। পহেলা বৈশাখ বাংলা সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। নতুন বছরের আগমনে মানুষ পুরোনো জীর্ণতা ও হতাশা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


বাণীতে আরও বলা হয়, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি ও প্রকৃতিনির্ভর অর্থনীতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও কৃষিকাজ প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হয়। বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন দেশের লোকজ সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে এবং জনগণের মধ্যে ঐক্যবোধ তৈরি করে।


বাণীতে উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মসূচির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলা হয়, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ—যেমন ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং ধর্মীয় ব্যক্তিদের জন্য সহায়তা কার্যক্রম—চালু করা হয়েছে। কৃষি খাতকে শক্তিশালী করতে কৃষক কার্ড কর্মসূচি শুরু করার কথাও উল্লেখ করা হয়।


এছাড়া বাণীতে বলা হয়, নতুন বছরে সহনশীলতা, সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে দেশের অগ্রযাত্রা আরও শক্তিশালী হবে। বিশ্বব্যাপী সংকটের প্রেক্ষাপটে শান্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।


বাণীতে নববর্ষকে সামনে রেখে অতীতের হতাশা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয় এবং দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।


এদিকে বাণীতে বক্তব্যটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান-এর পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

সম্পর্কিত খবর

;