স্টাফ রিপোটার: আজ ৬ই ফেব্রুয়ারি সোমবার। অমর একুশে বইমেলার ষষ্ঠ দিন। মেলা শুরু হয় বিকেল ৩টায়, চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। আজ নতুন বই এসেছে ১২১টি।
বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণ : কাজী রোজী এবং স্মরণ : দিলারা হাশেম শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নাসির আহমেদ এবং তপন রায়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আসলাম সানী, শাহেদ কায়েস, আনিসুর রহমান এবং শাহনাজ মুন্নী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অসীম সাহা।
প্রাবন্ধিকদ্বয় বলেন, কবি, গীতিকার, নাট্যকার, গল্পকার কাজী রোজী আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনের এক প্রগতিশীল সাহসী নারী, সদা প্রাণোচ্ছল এক লড়াকু জীবনযোদ্ধা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সকল প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামে সম্মুখসারির কর্মী ছিলেন তিনি। অপরদিকে, বাংলাদেশের খ্যাতিমান ঔপন্যাসিকদের মধ্যে দিলারা হাশেম একটি বিশিষ্ট নাম। ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, কবি, অনুবাদক, সংবাদ পরিবেশক, সংগীতশিল্পী ইত্যাদি নানা অভিধায় তাঁকে অভিহিত করা যায়। তিনি মূলত নগরজীবন ও বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত সমাজের সুখ-দুখ, স্বপ্ন-সাধ, ভালোবাসা, হতাশ ও জীবনের বা¯Íবতা তাঁর সাহিত্যে তুলে এনেছেন।
আলোচকবৃন্দ বলেন, কবি কাজী রোজী বাংলা সাহিত্যজগতে যেমন তাঁর প্রতিভার নজির রেখেছেন, তেমনি বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। শুধু সাহিত্যই নয়, কাজী রোজী আমাদের সামনে সাহসী জীবনের আদর্শও রেখে গেছেন। অন্যদিকে, স্বাধীনতা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বাংলা সাহিত্য জগতে অÿয় এক নাম দিলারা হাশেম। তাঁর সাহিত্যের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, নারীর দৃষ্টি দিয়ে তিনি ব্যক্তি ও সমাজকে দেখেছেন। নারীর সামাজিক অবস্থান ও পরিবেশ, লড়াই-সংগ্রাম-লাঞ্ছনা, বঞ্চনা, অবমাননা প্রভৃতি তাঁর লেখায় মূর্ত হয়ে উঠেছে।
সভাপতির বক্তব্যে অসীম সাহা বলেন, জীবনের নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে কাজী রোজী যে নিরন্তর সংগ্রাম চালিছেন, তাতে তিনি সফল হয়েছেন। জীবনের অন্তর্গত রহস্য ও নি¤œশ্রেণির মানুষের সংগ্রাম দিলারা হাশেমের সাহিত্যকর্মে ওঠে এসেছে। আমাদের উচিত যথাসময়ে তাদের মতো গুণী মানুষের কাজের স্বীকৃতি ও সম্মান প্রদর্শন।
আজ লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন মোজাম্মেল হক নিয়োগী, রহীম শাহ, সত্যজিৎ রায় মজুমদার এবং তুষার কবির।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি মাহবুব সাদিক, ফারুক মাহমুদ এবং আতাহার খান। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, মাহিদুল ইসলাম এবং অনন্যা লাবনী। এছাড়া ছিল সাইমন জাকারিয়ার পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ভাবনগর ফাউÐেশন’-এর পরিবেশনা। সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী আজগর আলীম, আবুবকর সিদ্দিক, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, রহিমা খাতুন, শান্তা সরকার। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন আব্দুল আজিজ (তবলা), ডালিম কুমার বড়ূয়া (কী-বোর্ড), অরূপ কুমাল শীল (দোতারা) এবং মো. শহিদুল ইসলাম (বাঁশি)।
আগামীকালের সময়সূচি
আগামীকাল ৭ই ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার। অমর একুশে বইমেলার সপ্তম দিন। মেলা শুরু হবে বিকেল ৩টায়, চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।
ডেস্ক রিপোর্ট: দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান তার ফিটনেস রহস্য নিয়ে মুখ খুলেছেন। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, জিম নয়, মাঠে চাষবাস করেই তিনি ...
স্টাফ রিপোর্টার: সংশোধিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫’ অনুসরণ করে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রচারের আহ্বান জানিয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, শিল্পী ও সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশ চল ...
স্টাফ রিপোর্টার: চর্যাগান, পাপেট শো, আবৃত্তি এবং কবি রাজীব কুমার দাশের কবিতা নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনার মধ্য দিয়ে আজ ২৫ জুলাই ২০২৬, শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বাংলা একাডেমির কবি ...
ডেস্ক রিপোর্ট: প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের গান নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিশ্বের অন্যতম প্রধান এবং ঐতিহাসিক পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্নার ব্রাদার্স মিউজিক। তারা আমন্ত্রণ জানিয়েছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ ...
সব মন্তব্য
No Comments