অভিবাসীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর জোর

প্রকাশ : 27 Jul 2026
অভিবাসীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর জোর


স্টাফ রিপোর্টার: অভিবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অনুসন্ধানী, তথ্যভিত্তিক ও নৈতিক সাংবাদিকতার বিকল্প নেই বলে মত দিয়েছেন বক্তারা। তারা বলেছেন, অভিবাসন খাতে প্র„তারণা, শোষণ ও আইনি জটিলতার চিত্র বস্তুনিষ্ঠভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরতে পারলে জনসচেতনতা যেমন বাড়বে, তেমনি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

আজ সোমবার রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ) আয়োজিত ‘অভিবাসন অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি’ বিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে ‘প্রেস ক্যাফে’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তারা। সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘স্ট্রেনথেনড অ্যান্ড ইনফরমেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিমস) প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়)’ অ্যাক্সেস টু জাস্টিস কার্যক্রমের আওতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের সিমস প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে উপস্থাপনা করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক রাফাতুর রহমান রুবা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বিএনডব্লিউএলএর পরিচালক মোর্শেদ বিলাল খান বলেন, অভিবাসী কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের তথ্যনির্ভর প্রতিবেদন নীতিনির্ধারণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও সহায়ক হতে পারে।

অনুষ্ঠানে অভিবাসনবিষয়ক বিশেষজ্ঞ মো. মহিউদ্দিন ও হেলভেটাস বাংলাদেশের সিমস প্রকল্পের নিরাপদ অভিবাসনবিষয়ক প্রকল্প সমন্বয়কারী সাজ্জিদ আহমেদ অভিবাসন বিষয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, নৈতিক প্রতিবেদনের কৌশল এবং প্রমাণভিত্তিক সংবাদ পরিবেশনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা অংশ নিয়ে অভিবাসন খাতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। তথ্যসমৃদ্ধ ও পেশাদার সাংবাদিকতাকে অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে অভিহিত করেন তারা।

এ সময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশগামী কর্মীরা নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে কর্মস্থল পর্যন্ত নানা ধরনের প্রতারণা, শোষণ ও আইনি জটিলতার মুখোমুখি হন। অনেক ক্ষেত্রে তাঁরা ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রেও বাধার সম্মুখীন হন। এসব বাস্তবতা ধারাবাহিকভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরতে পারলে অভিবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা সম্ভব হবে।


সম্পর্কিত খবর

;