উজিরপুরে জমি বিরোধে বাবা, মা ও ছেলেকে কুপিয়ে জখম, মামলা দায়ের

প্রকাশ : 18 Sep 2026
উজিরপুরে জমি বিরোধে বাবা, মা ও ছেলেকে কুপিয়ে জখম, মামলা দায়ের

উজিরপুর প্রতিনিধি: বরিশালের উজিরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাবা, মা ও ছেলেকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বসত ঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও করা হয়েছে।


আহতরা হলেন- আব্দুল খালেক হাওলাদার, তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম ও ছেলে মিলন হাওলাদার। এর মধ্যে গুরুতর আহত আব্দুল খালেক হাওলাদারকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মিলন ও তার মা নুরজাহান বেগম উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।


এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. মিলন হাওলাদার (৩৮) বাদী হয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর বরিশালের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।


আসামিরা হলেন- মো. জসিম হাওলাদার (৪০), সুলতান হাওলাদার (৬৫), ছিদ্দিক হাওলাদার (৫৫), হেল্লাল হাওলাদার (২২), রুস্তুম হাওলাদার (৬২), রুবেল হাওলাদার (৩২), শাহ আলম (৪৫), মুকুল বেগম (৫৫), সুমা খাতুন (৩১), সাথী আক্তার (২৪), মুক্তা (২৮), বুলবুলি আক্তার (৫৫), ঝুমা আক্তার (২৮) ও লাইজু বেগম (৩৫)। সবার বাড়ি উপজেলার মুন্ডপাশা-মুংগাকাঠী এলাকায়।


মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান।


অভিযোগে বলা হয়, গত ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে জসিম ও সিদ্দিক হাওলাদারের নেতৃত্বে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাদীর বাড়ির সামনে এসে গালিগালাজ শুরু করে। প্রতিবাদ করলে তারা সীমানার বেড়া ও বসত ঘরে ভাঙচুর চালায়। এতে প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।


একপর্যায়ে জসিম হাওলাদার দা দিয়ে আব্দুল খালেকের মাথা লক্ষ্য করে কোপ দিলে তিনি গুরুতর জখম হন। ঠেকাতে গেলে তার বাম হাতে কোপ লাগে। পরে ছেলে মিলন এগিয়ে এলে তাকেও মাথায় কুপিয়ে জখম করা হয়। শাহ আলমের দায়ের কোপে আব্দুল খালেকের ডান চোখের ওপরে জখম হয়।


এ সময় নুরজাহান বেগমকে লাঠি দিয়ে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগও আনা হয়েছে মামলায়। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়। হামলা শেষে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায় হামলাকারীরা।


বাদী মিলন হাওলাদার বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।


সম্পর্কিত খবর

;