স্টাফ রিপোর্টার: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে ৩টি করে মোট ৯টি স্কুলে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছেলেমেয়েরা ই-লার্নিং শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, রোবটিকস ব্যবহার করাসহ গ্লোবাল কমিউনিটিতে সরাসরি যুক্ত হতে পারবে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর ইচ্ছা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে ১০০টি ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।
আজ বিকালে ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার বৈষম্য দূর করতে চাই। তিনি জানান, নির্বাচিত স্কুলগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত পেশাজীবী ও দক্ষ শিক্ষকরা শহর থেকে অনলাইনে স্বেচ্ছায় পাঠদান করতে পারবেন, এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে যোগ্য শিক্ষকের অভাব পূরণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই ই-লার্নিং স্কুলগুলো পার্বত্য অঞ্চলের শিশুদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং তাদের জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুযায়ী মানসম্পন্ন ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ প্রদান করবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ডা. সানাই প্রু ত্রিপুরা, যুগ্ম সচিব অতুল সরকার, যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ইসরাত জাহানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
মো. রেজুয়ান খান, জনসংযোগ কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ০১৮২৫৮৯৭৮১৮চলতি ডিসেম্বরেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে - পার্বত্য উপদেষ্টা
ঢাকা, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে ৩টি করে মোট ৯টি স্কুলে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছেলেমেয়েরা ই-লার্নিং শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, রোবটিকস ব্যবহার করাসহ গ্লোবাল কমিউনিটিতে সরাসরি যুক্ত হতে পারবে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর ইচ্ছা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে ১০০টি ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।
আজ বিকালে ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার বৈষম্য দূর করতে চাই। তিনি জানান, নির্বাচিত স্কুলগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত পেশাজীবী ও দক্ষ শিক্ষকরা শহর থেকে অনলাইনে স্বেচ্ছায় পাঠদান করতে পারবেন, এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে যোগ্য শিক্ষকের অভাব পূরণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই ই-লার্নিং স্কুলগুলো পার্বত্য অঞ্চলের শিশুদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং তাদের জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুযায়ী মানসম্পন্ন ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ প্রদান করবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ডা. সানাই প্রু ত্রিপুরা, যুগ্ম সচিব অতুল সরকার, যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ইসরাত জাহানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ দুর্বল হয়ে এখন সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আরেকটি লঘুচাপ অ ...
স্টাফ রিপোর্টার: সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ও থ্রি-হুইলার চলাচলে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। একই সঙ্গে জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং প্রধান বাস রুটে ধীরগতির ...
স্টাফ রিপোর্টার: পাওয়ার স্টার্টআপ বা বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন পেয়েছে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃ ...
স্টাফ রিপোর্টার: দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমা ...
সব মন্তব্য
No Comments