স্টাফ রিপোর্টার: বাংলা একাডেমি আজ ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪৩১/১৮ই নভেম্বর ২০২৪ সোমবার বিকেল ৪:০০টায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক স্মরণে সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংস্কৃতি, পত্রিকা ও মিলনায়তন বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. সরকার আমিন। ‘হাসান আজিজুল হক : দেশভাগের অন্ধ সুরকার’শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহ্সান মাহমুদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কথাসাহিত্যিক মশিউল আলম ও কথাসাহিত্যিক ওয়াসি আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
ড. সরকার আমিন বলেন, হাসান আজিজুল হক অসাধারণ শিল্পকুশলতায় রাঢ়বঙ্গের স্মৃতিকে গল্পের শ্যামল অক্ষরে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি তাঁর হারিয়ে যাওয়া সোনালি বাল্যকাল দিয়ে ধূসর পৃথিবীর মোকাবিলা করতে চেয়েছেন।
এহ্সান মাহমুদ বলেন, হাসান আজিজুল হক দেশভাগের অন্ধ সুরকার। তিনি ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশের দেশভাগের ফলে মানবিক ও সামাজিক যে বিপর্যয় তৈরি হয়েছে প্রায় গোটা জীবন ধরে তার শিল্পিত বিবরণ লিখে গেছেন। তাঁর লেখায় দেশভাগের আগেকার যে রাঢ়বঙ্গের দেখা পাওয়া যায়, তারপরের বাংলাদেশের ঠিক ততোখানি দেখা মেলে না। তিনি বলেন, হাসান আজিজুল হক তাঁর গোটা লেখকজীবনে দেশভাগকে করুণ সুরে লিখে গেছেন।
আলোচকদ্বয় বলেন, হাসান আজিজুল হক কোনো পৃষ্ঠপোষকতার তোয়াক্কা করেননি বরং তিনি তাঁর লেখার গুরুত্বের কারণেই খ্যাতিমান লেখক হিসেবে পরিগণিত হয়েছেন। সারাজীবন প্রান্তে বসবাস করে তিনি সাহিত্যের নতুন কেন্দ্র তৈরি করেছেন। সামান্য দৃশ্যকে বৃহৎ ক্যানভাসে তুলে ধরার কৃতিত্বে তিনি অসাধারণ, বিন্দুতে সিন্ধু ধারণে তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। তারা বলেন, হাসান আজিজুল হককে বৃত্তবন্দিভাবে বিচার করা যাবেনা। তিনি বারবার বৃত্ত ভেঙেছেন। শৈশব-কৈশোরের রাঢ়বঙ্গের স্মৃতির রঙে যেমন তাঁর গল্প রাঙা হয়েছে তেমনি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বাংলাদেশের খেটে খাওয়া মানুষের মরণপণ জীবনসংগ্রাম তাঁর মতো সার্থকভাবে খুব কম কথাশিল্পীই সাহিত্যে ধারণ করতে পেরেছেন। হাসান আজিজুল হক সংকটের ছবি এঁকেছেন বারংবার কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি অনিঃশেষ আশাবাদেরই মানুষ।
অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, হাসান আজিজুল হকের সাহিত্যে সমাজতান্ত্রিক বাস্তবতাবাদ যেমন আছে তেমনি তার আড়ালও আছে। কোনো সরল তত্ত্বরেখায় তাঁকে ব্যাখ্যা করে চটজলদি সিদ্ধান্তে আসা যায়না। তিনি বলেন, হাসান আজিজুল হক আশির দশক পর্যন্ত তাঁর শিল্পচর্চাকে যেভাবে পাঠকের সামনে হাজির করেছেন পরবর্তীকালে রাজননৈতিক-সাংস্কৃতিক অবস্থানের কারণে হয়তো সে মাত্রায় থাকেনি। কিন্তু অতি অবশ্যই তিনি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ গল্পকার।
সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির উপপরিচালক কাজী রুমানা আহমেদ সোমা।
ডেস্ক রিপোর্ট: দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান তার ফিটনেস রহস্য নিয়ে মুখ খুলেছেন। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, জিম নয়, মাঠে চাষবাস করেই তিনি ...
স্টাফ রিপোর্টার: সংশোধিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫’ অনুসরণ করে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রচারের আহ্বান জানিয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, শিল্পী ও সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশ চল ...
স্টাফ রিপোর্টার: চর্যাগান, পাপেট শো, আবৃত্তি এবং কবি রাজীব কুমার দাশের কবিতা নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনার মধ্য দিয়ে আজ ২৫ জুলাই ২০২৬, শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বাংলা একাডেমির কবি ...
ডেস্ক রিপোর্ট: প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের গান নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিশ্বের অন্যতম প্রধান এবং ঐতিহাসিক পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্নার ব্রাদার্স মিউজিক। তারা আমন্ত্রণ জানিয়েছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ ...
সব মন্তব্য
No Comments