ডেস্ক রিপোর্ট: আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেন —
বাণী:
“আগামীকাল ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস। এই দিবসটি গণতন্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি করা ও আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানের শক্ত ভিত্তি দেওয়াকে সমর্থন করে। বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের নীতি প্রচার ও সুসংহত করার উদ্দেশ্যে এই দিবসটি উদযাপন করা হয়। গণতন্ত্র অর্জনের সংগ্রামে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। জীবনদানকারী শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং আহতদের সমবেদনা জানাচ্ছি। আমি আজকের এ দিনে বিশ্বের গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
এই দিবসের গুরুত্ব মানবাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে যেখানে মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সেবা ও ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সচেষ্ট হয়। গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত থাকলে কোনো স্বৈরশক্তিই মাথাচাড়া দিতে পারে না, আর সে কারণে জনগণকে ক্রীতদাসে পরিণত করা সম্ভব হয় না।
বিভিন্ন দেশে একদলীয় দুঃশাসনের কালো থাবা এখনও বিরাজমান। দেড় দশক ধরে বাংলাদেশেও নাগরিক স্বাধীনতা, ভোটাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও মানবাধিকার উচ্ছেদ করে এক ভয়ঙ্কর আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম ছিল। নানা কালাকানুনের মাধ্যমে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ, ভিন্নমতের কারণে অনেকেই গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছিল। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বাংলাদেশের কিংবদন্তিতুল্য আপসহীন যোদ্ধা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাগারে আটকে রাখা হয়েছিল। গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ওপর নামিয়ে আনা হয়েছিল মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়ার বর্বরোচিত অত্যাচার। দেশবাসী ১৬ বছর এক ভয়াবহ দুর্দিন অতিক্রম করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঐতিহাসিক রক্তস্নাত আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পর এখন এ দেশে প্রকৃত গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে। বর্তমান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করে গণতন্ত্রকে একটি স্থায়ী রূপ দিতে হবে। গণতন্ত্রকে সচল রাখতে হলে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বজনীন শিক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসন ছাড়া প্রকৃত গণতন্ত্র সম্ভব নয়।
নারী ও পুরুষ অথবা অন্য কোনো লিঙ্গের সবার সমান অংশগ্রহণ এবং সুবিধা পাওয়ার নিশ্চয়তা লাভ করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র-সমাজে। গণতন্ত্র লিঙ্গভেদে কারও প্রতি কোনো বৈষম্যকে বাড়িয়ে তুলতে পারে না, বরং সকলের জন্য সমান আইনি ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
আমরা দুঃসময় কাটিয়ে উঠে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি, এখন কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার সার্বিক প্রচেষ্টায় আমাদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”
ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউন ...
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: ‘স্বৈরাচার’ সরকারের আমলে দেশের মানুষ অনির্বাচিত, বিনা ভোট ও ‘ডামি’ নির্বাচনের সরকার দেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ...
স্টাফ রিপোর্টার: ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তবে এমপিওভুক্ত শি ...
সব মন্তব্য
No Comments