অনিক রায়,ফরিদপুর অফিস: ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় বসতঘরের জানালা ভেঙে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা দুই অভিযুক্তকে মোটরসাইকেলসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১টার দিকে উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন হলেন- হেলাল মৃধা (২০) ও রইস শিকদার (১৬)। বর্তমানে ওই কিশোরী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছে।
অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) শামছুল আজম। এই অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ওই কিশোরীর চাচার দাবি, ঘটনার রাতে কিশোরীর দাদির চোখের চিকিৎসার জন্য তিনি ও তার মা ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে ছিলেন। বাড়িতে কিশোরীর ছোট বোন ও ছোট ভাই সঙ্গে ছিল। রাত ১টার দিকে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘরটি ঘিরে ফেলে। দুর্বৃত্তরা প্রথমে দরজা খোলার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। তবে ভেতর থেকে দরজা খুলতে অস্বীকৃতি জানালে দুর্বৃত্তরা ঘরের জানালা ভেঙে কিশোরীকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায়।
এ সময় স্বজন ও প্রতিবেশীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সশস্ত্র দলটি তাদের ওপর হামলার হুমকি দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে কিশোরীকে তুলে নিয়ে একটি মোটরসাইকেলে করে পাশের গ্রামের একটি পুকুরের পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তিন যুবক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
ওই এলাকার বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর কিশোরী মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত ৩টার দিকে, ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা পর দুর্বৃত্তরা কিশোরীকে বাড়ির উঠনে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ওই সময় এলাকাবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে ধাওয়া দিয়ে দুজনকে একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করে। পরে গণপিটুনি দিয়ে তাদের সদরপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
ভুক্তভোগীর মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, শাশুড়ির অপারেশনের জন্য আমি হাসপাতালে ছিলাম। খবর পেয়ে বাড়ি এসে মেয়ের এই অবস্থা দেখে আমি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছি। আমার মেয়েকে ঘরের জানালা ভেঙে উঠিয়ে নিয়ে যায়। রাত ৩টার দিকে বাড়ির উঠানে ফেলে রেখে যায়। আমি এই ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসি চাই। ওই কিশোরীর ছোট বোন জানায়, দুর্বৃত্তরা জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে আমার বোনের চুলের মুটি ধরে তাকে টেনে হেঁচড়ে বের করে নিয়ে যায়।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) শামছুল আজম বলেন, গণধর্ষণের ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এলাকাবাসী যে দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে তারা বর্তমানে থানায় পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
লরাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো : ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। বুধবার (২৬ আগস্ট) মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছ ...
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে শিয়ালের আক্রমণে ৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ের ক্ষত হয়েছে। পরে তারা রাতেই পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে গিয ...
রাজশাহী অফিস : বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পরও রাজশাহীতে সংগঠনটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে পরিচিত ওয়ালিদুর রহমান, মহানগর ...
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রউফকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভ ...
সব মন্তব্য
No Comments