বাংলাদেশ আরও বোয়িং কিনছে, দাবি মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের

প্রকাশ : 31 Aug 2026
বাংলাদেশ আরও বোয়িং কিনছে, দাবি মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত ও ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর।


রোববার (৩০ আগস্ট) রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।


সার্জিও গর লিখেছেন, “এই সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আরেকটি অসাধারণ চুক্তি করেছেন। বাংলাদেশ আরও বেশি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে সম্মত হয়েছে, যা তাদের প্রাথমিক ক্রয়াদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।”


তিনি আরও লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী প্রেসিডেন্ট। তিনি প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করে লাখ লাখ উচ্চ বেতনের কর্মসংস্থান তৈরি, ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ বাড়ানো এবং অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে কাজ করছেন।” 


দেশীয় সংবাদমাধ্যম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস) জানিয়েছে, এই পোস্টে সার্জিও গর উড়োজাহাজের সংখ্যা, মডেল বা চুক্তির মোট মূল্য এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে কি না, তা উল্লেখ করেননি। তবে তার এই ঘোষণা এসেছে বাংলাদেশ সফরের প্রায় এক মাস পর। তিনি গত ৩০ জুলাই থেকে ১ আগস্ট তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন 


প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক আলোচনার অংশ হিসেবে বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা বাড়িয়েছিল। গত ১ মে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর হয়, যার মধ্যে ছিল ৮টি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি ৭৮৭-৯ এবং ৪টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। এটি ছিল বিমানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণ।


পরে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার মধ্যে সেই পরিকল্পিত ক্রয়াদেশ ১৪টি থেকে বাড়িয়ে ২৫টিতে উন্নীত করা হয়। সার্জিও গরের সর্বশেষ পোস্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, যদিও এ বিষয়ে এখনও বাংলাদেশ সরকার বা বোয়িংয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি ।


সম্পর্কিত খবর

;