আঃ রহিম সরদার, উজিরপুর(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরের সন্ধ্যা নদীতে এই প্রথম ব্যাপক আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা'র উদ্দোগে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাক-ঢোলের বাজনা, দর্শকের করতালি, নদীর বুকে থাকা রঙিন নৌকা এমনই এক উৎসবমুখর পরিবেশে ৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যাতিক্রমি আয়োজনে নৌকা বাইচ ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৬ টি দল অংশ গ্রহণ করে। প্রথম স্থান অধিকার করেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের দল, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মেজর এমএ জলিল এর দল, তৃতীয় স্থান অধিকার করেন শহীদ জুলাই যোদ্ধা। তাদেরকে সম্মাননা ক্রেস্ট এবং প্রথম স্থান অধিকার কারীকে ৩০ হাজার, দ্বিতীয় স্থান অধিকার কারীকে ২০ হাজার এবং তৃতীয় স্থান অধিকার কারীকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
উজিরপুর উপজেলা প্রশাসন ও উন্নয়ন সংস্থা আভাস এর যৌথ আয়োজনে, এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতাকে ঘিরে সকাল থেকেই নদীর দুই তীরে উপচে পড়ে জনস্রোত। নারীরা পরেছেন রঙিন শাড়ি, শিশুরা হাতে জাতীয় পতাকা, নদীর ধারে বসেছে মেলা— সব মিলিয়ে পুরো উজিরপুর যেন পরিণত হয়েছে এক প্রাণের উৎসবে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ শরিফ উদ্দীন এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের জনশিক্ষা বিভাগের পরিচালক আসমা ফেরদৌসি। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আলী সুজা। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা কাজী রওনকুল ইসলাম টিপু, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মহেশ্বর মন্ডল, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছালাম, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি এস এম আলাউদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রোকুনুজ্জামান টুলু সহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
প্রতিযোগিতা শুরু হয় শিকারপুর সরকারি শেরে বাংলা ডিগ্রি কলেজ ঘাট থেকে এবং শেষ হয় সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর এম.এ জলিল সেতু পর্যন্ত। ছয়টি বাচারি নৌকা অংশ নেয় এবারের প্রতিযোগিতায়, যেগুলোর নাম রাখা হয় জাতির গৌরবোজ্জ্বল ব্যক্তিত্বদের নামে— শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক, কবি জীবনানন্দ দাশ, সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিল, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, কবি সুফিয়া কামাল, এবং জুলাই শহীদ।
গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর জেলার অভিজ্ঞ মাঝিরা তাদের নৌকা নিয়ে অংশ নেন প্রতিযোগিতায়। নৌকার ছন্দে ছন্দে ভেসে আসে মাঝিদের “হা-দে-রে-ও” ধ্বনি, যার প্রতিধ্বনি মিলেছে নদীর দুই তীরজুড়ে। দর্শকদের উল্লাস, ঢাকের তালে তালে প্রতিটি নৌকার ছুটে চলা— সব মিলিয়ে দৃশ্যটি যেন এক জীবন্ত চিত্রপট।
প্রতিযোগিতা শেষে মেজর এম.এ জলিল সেতুর ইচলাদী প্রান্তে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় চ্যাম্পিয়ন, রানারআপ ও বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার।
গ্রামীণ ঐতিহ্যের এই প্রাণবন্ত আয়োজনে উজিরপুরবাসী ফিরে পেয়েছে তাদের হারানো আনন্দ ও ঐতিহ্যের রঙ। এই নৌকা বাইচ শুধু প্রতিযোগিতা নয়— এটি মিলনমেলা, ঐক্যের প্রতীক এবং বাংলার সংস্কৃতির এক জীবন্ত নিদর্শন।
ডেস্ক রিপোর্ট: গত ১১ মে, সোমবার আনুমানিক রাত দশটার দিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরী বাচসাস-এর বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির দপ্তর সম্পাদক এবং দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের বি ...
স্টাফ রিপোর্টার: ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ শীর্ষক পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্রের বিষয়ে মডেল ও অভিনেত্রী জেবা জান্নাত অভিযোগ উত্থাপন করেছেন যে, তিনি একটি একক নাটকে অভিনয়ের উদ্দেশ্যে মৌখিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হন ...
ডেস্ক রিপোর্ট বরেণ্য নাট্যকার, নির্দেশক ও অভিনেতা ‘মঞ্চসারথি’ আতাউর রহমান সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ ...
স্টাফ রিপোর্টার: সোনালি পর্দার সেই অমর স্মৃতির উত্তরাধিকার নিয়ে এবার চলচ্চিত্রের আঙিনায় এক নতুন লড়াইয়ের সুর বেজে উঠেছে। দুই কিংবদন্তির উত্তরসূরি এক হয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির হাল ধরতে। আ ...
সব মন্তব্য
No Comments