ডেস্ক রিপোর্ট : পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে সম্পন্ন করা হয়েছে। সেতু নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২২ হাজার ৫৯৩ পরিবারের সদস্য-সহ প্রায় ৮০ হাজারের বেশি নাগরিকের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হয়েছে সর্বোচ্চ মানদণ্ড মেনে।
জনসাধারণের প্রয়োজনে, জনস্বার্থে, তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে কিংবা রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল কার্যক্রম ভূমি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। পদ্মা সেতুর জন্য ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা যেন অধিগ্রহণ পরবর্তী পুনর্বাসন-সহ নানামুখী সহায়তা লাভ করতে পারে সে জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ব্যবস্থাপনার সময় ভূমি মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে লিখিত শর্ত নিয়েই পদ্মা সেতু নির্মাণ কর্তৃপক্ষের নিকট জমি হস্তান্তর করে। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর অনুশাসন ছিল।
মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর জেলায় মোট ভূমি অধিগ্রহণের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৬৯৩ হেক্টর এবং বরাদ্দ প্রায় ২ হাজার ৬৯৮হেক্টর। জমি অধিগ্রহণ, বন্দোবস্ত ও হুকুমদখলের জন্য ৩ হাজার ৪৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। পদ্মাসেতু প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। অর্থাৎ, নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় ১০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ, বন্দোবস্ত ও হুকুমদখলের জন্য ব্যয় হয়।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ পরিকল্পনা, পুনর্বাসন কর্মপরিকল্পনা, পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০০৬ সালে সম্পন্ন করা হয়। ভূমি অধিগ্রহণ শুরু হয় ২০০৯ সালে। এই প্রকল্পের অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া দক্ষভাবে সম্পন্ন করতে ‘পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প (ভূমি অধিগ্রহণ) আইন, ২০০৯’ প্রণয়ন করা হয়।
পদ্মা নদীর দুই প্রান্তে মসজিদ, বিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ইত্যাদি-সহ আধুনিক নাগরিক সুবিধা সংবলিত ৭টি পুনর্বাসন সাইটে মোট ৩০১৪টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এই পর্যন্ত। এছাড়া ১০০টি বাণিজ্যিক প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যারা জমি বাবদ ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়েছেন, তাদেরকে পুনর্বাসন সাইটের অধিগ্রহণের সময়ের দামে জমি কিনতে হয়েছে। আর যারা জমি বাবদ টাকা পাননি, তাদেরকে প্লট দেওয়া হয়েছে বিনামূল্যে।
ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেককেই ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন সহায়তা এবং ক্ষেত্রবিশেষে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জীবনধারণের জন্য দেওয়া হয়েছে ইলেক্ট্রনিক্স, টেইলরিং, মাছ চাষ, হাঁস-মুরগী পালন, গরু-ছাগল পালন, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ড্রাইভিং, ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রশিক্ষণসহ নানা ধরনের প্রশিক্ষণ। জমির মূল্য ছাড়াও বিভিন্ন সহায়তা বাবদ অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা হিসাবে প্রায় ৭৬০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে সরকার।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর পল্লবীতে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার ২১ মে রাতে ...
স্টাফ রিপোর্টার: জলবায়ু সংকট নিরসনে সরকারি, বেসরকারি ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত যৌথ উদ্যোগ জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিবেশ অধিদপ্তরের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে আন্তঃপ্রত ...
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ছুটির দিনগুলোতে মেট্রোরেল চলাচলের বিশেষ সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। তবে ঈদের দিন মেট্রোরেল সেবা সম্পূ ...
কুমিল্লা অফিস: দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী এখনো মাঠে দায়িত্ব পালন করছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেছেন, অনেক সৈনিককে ইতোমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ...
সব মন্তব্য
No Comments