ডেস্ক রিপোর্ট: নির্বাচনকালীন নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকার, সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, সকল নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আলেম ওলামাদের মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। কর্মসূচি চূড়ান্ত করতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটি ও শীর্ষ নেতারা। খবর আমাদের সময়.কম।
সূত্র জানায়, সরকারবিরোধী দলগুলো চূড়ান্ত আন্দোলনের জন্য আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসকে টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছে। কারণ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন যদি ডিসেম্বরের শেষে কিংবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয়; তাহলে তার তিন মাস আগে সংবিধান অনুযায়ী অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন করতে হবে। আর এই সময়টিতে সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে চায় বিরোধী দলগুলো। যদিও আন্দোলনে থাকা ছোট দলগুলোর কেউ কেউ শেষ পর্যন্ত বিএনপির এই এক দফা আন্দোলনে থাকবে কিনা তা নিয়ে সংশয় ও সন্দেহ রয়েছে বিএনপিসহ যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোর মধ্যে।
বিএনপির শরীক দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, আন্দোলন চলাকালীন সরকারের লোভ-টোপ, হুমকি-ধামকি উপেক্ষা করে টিকে থাকা অনেকের পক্ষে সম্ভব হবে না। আবার অনেকে মীরজাফরের মত বেঈমানি করে সরকারের সঙ্গে হাত মেলানোর সম্ভবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে শরীক দলটির প্রধান বলেন, এই মুহূর্তে সরকারবিরোধী বড় ধরনের কোনো কর্মসূচিতে যাবো না। গতানুগতিক কর্মসূচি যেমন সভা সমাবেশ, মিছিল মিটিং এসবের মধ্যেই থাকবো। তবে পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে আন্দোলনের গতিপথ কোন দিকে যাবে।
তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে একটি প্রতিনিধি দল আসছে ঢাকায়। তাদের সঙ্গে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সিভিল সোসাইটির সঙ্গে আলোচনা হবে। ওই আলোচনার আগেই সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তাদের অবস্থান পরিস্কার করতে চায়। সরকার যদি নির্দলীয় সরকারের দাবি না মেনে নেয় তাহলে বিরোধী দলগুলোর অবস্থান কী হবে- তা প্রতিনিধি দলকে জানান দিতেই এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে।
কেমন ধরনের আন্দোলন হতে পারে, এ প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ তবে কঠোর। এই বিষয়েগুলো নিয়ে আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছি। সকলের মতামতের ভিত্তিতে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তিনি বলেন, দেশে নির্বাচন হতে হবে, তবে কেনো প্রহসনের নির্বাচন নয়।
এক দফার আন্দোলন প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সচেতনভাবে আমরা হরতাল অবরোধ কিংবা ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতির তৈরি হয় এমন কোনো কর্মসূচিতে যাবো না। তবে সরকার যদি সেদিকে ঠেলে দেয়, তাহলে তার দায় সরকারকে নিতে হবে।
স্টাফ রিপোর্টার: জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এবং সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপের পক্ষে জনমত গঠনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছে। বুধবার ২১ মে নগরীর সাতটি ...
স্টাফ রিপোর্টার: বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্তকে ‘বিচার বিভাগের ওপর চপেটাঘাত’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এর মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করা ...
স্টাফ রিপোর্টার: পুরনো ধারাবাহিকতা ভেঙে জনগণের জন্য বাজেট প্রণয়নের তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। কর ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, অনলাইনে সমন্বিত ও ফেসলেস কর ব্যবস্থা চালুসহ বিভি ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় পার্টির মহাসচিব, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার (সাবেক মন্ত্রী) অসুস্থ হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিসিইউতে রয়েছেন। জাতীয় পার্টির (একাংশ) দফ ...
সব মন্তব্য
No Comments