মুক্তি পেলেন ১৬৮ জন বিডিআর সদস্য

প্রকাশ : 23 Jan 2025
মুক্তি পেলেন ১৬৮ জন বিডিআর সদস্য

স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘ ১৬ বছর পরে ১৬৮ জন বিডিআর সদস্য কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার ও কাশিমপুর কারাগার থেকে এদের মুক্তি দেয়া হয়। অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্ণেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।


জানাগেছে, বিডিআর বিদ্রোহে বিস্ফোরক মামলায় ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ৪১ জন, কাশিমপুর-১ থেকে ২৬ জন, কাশিমপুর-২ থেকে ৮৯ জন এবং কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি থেকে ২৬ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার আদালত জামিনপ্রাপ্ত ১৭৮ জন আসামির নাম প্রকাশ করেন। এর মধ্যে কার কর্তৃপক্ষ ১৬৮ জনের তালিকা হাতে পেয়েছে ।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন।

সে ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয়। তাদের মধ্যে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেয়া হয়। মামলা থেকে খালাস পান ২৭৮ জন।

২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় দেয় হাইকোর্ট। তাতে ১৩৯ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রাখা হয়। যাবজ্জীবন দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে ও ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। রায়ে ২৮৩ জন খালাস পান।

হাইকোর্টের রায়ের আগে ১৫ জনসহ ৫৪ জন আসামি মারা গেছেন। হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন।

অন্যদিকে , হাইকোর্ট ৮৩ জন আসামীর খালাস এবং সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল এখন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ২০১০ সালে বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয়েছিল।

অন্তর্বতীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিডিআর বিদোহের ঘটনায় তদন্ত পুনরায় শুরুর দাবি ওঠে। গত ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যান শহীদ পরিবাবের সদস্যরা। এই হত্যাকান্ডের প৫ুনঃ তদন্তের জন্য গত ২৪ ডিসেম্বর আ ল ম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে কমিশন করে ৯০ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়।


সম্পর্কিত খবর

;