স্টাফ রিপোর্টার: অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) এর ফলে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়বে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, এর ফলে বাংলাদেশ থেকে আরো বেশি সংখ্যক মানুষ জাপানে যাওয়ার সুযোগ পাবে। এ সুযোগ তৈরি করতে তারা এখানে অনেক জাপানি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।
জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) করায় স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তোরণের পর বাণিজ্যকে উদার করার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা যদি সক্ষমতা বাড়াতে না পারে, তাহলে সেটা বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, এই উদার বাণিজ্য থেকে দেশের ভোক্তারা সুবিধাভোগী হবেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, জাপান পৃথিবীর পাঁচটা বড় অর্থনীতির একটা এবং আমরা পৃথিবীর এত বড় একটা অর্থনীতির সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করতে পেরেছি এটা বড় অর্জন বলে মনে করি। তিনি বলেন, ভারত এটা নিয়ে প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর চেষ্টা করে একটা পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট করতে পেরেছে। সেটা আমরা এক বছরের সময়কালের মধ্যে এরকম একটা চুক্তি করেছি। যার ফলে জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের একটা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। এতে করে আমাদের একটা অর্থনীতির উদারীকরণের সম্ভাবনা তৈরি হলো। বর্তমানে আমাদের যে বাণিজ্য, সার্ভিস খাতে আমাদের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আমাদের দেশের মানুষের জাপানে যাওয়া ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ইপিএ স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশ যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে, তা থেকে সুরক্ষায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা যে ১ হাজার ৭০টি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছি, এতে আমাদের রাজস্বের পরিমাণ ২০ কোটি টাকার নিচে। আমরা যে বাকি ট্যারিফ লাইনে তাদেরকে অফার করেছি, ১৮ বছর পর্যন্ত সময়ে যেতে হবে। আপনি জানেন, আমরা যখন এলডিসি থেকে উত্তরণ করবো, আমাদেরকে ডব্লিউটিওর ফ্রেমওয়ার্কে আমাদের বাণিজ্যকে উদার করতে হবে। সেখানে এই বাণিজ্য উদার করার ক্ষেত্রে আমাদের ব্যবসায়ীরা যদি সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে না পারে, তাহলে অবশ্যই আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই যে ১৮ বছর যাবৎ তারা যে সময় পাবেন, সেখানে তাদের সক্ষমতা তৈরি করার একটা সুযোগ তৈরি হবে। সর্বোপরি ভোক্তা উপকৃত হবে। এই উদার বাণিজ্যের মাধ্যমে আপনি একজন ভোক্তা হিসেবে এর বেনিফিট পাবেন।
উপদেষ্টা বলেন, জাপানের বিনিয়োগের ফলে কর্মসংস্থান তৈরি হবে। দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি হস্তান্তর হবে। এর বিনিময়ে আমরা আশা করি যে আমাদের এখানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তিনি আরো বলেন, ওরা আমাদের কতগুলো সেক্টর যেমন নার্সিং সেক্টরে আমাদের জনবল নিবে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার হিসেবে নিবে, কেয়ারগিভার হিসেবে লোক নিবে, ডমেস্টিক কেয়ারগিভার হিসেবে নিবে। এছাড়া আরো অন্যান্য যেগুলো স্কিল প্রফেশনালস, তারা যেতে পারবে। এমনকি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার পর্যন্ত যেতে পারবে। আমাদের যে ৯২টা সেক্টর আমরা ওপেন করে দিয়েছি এবং ওরা আমাদের ১২০টা ওপেন করে দিয়েছে।
এ সময়ে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, এরই মধ্যে শূন্য শুল্ক আছে অনেক পণ্যে। যেমন খাদ্য পণ্য বা তুলা ও সুতা। মেশিনারিজে আছে এক শতাংশ। এই দুটো মিলিয়ে আমরা এক হাজার ৩৯ টা দিয়েছি। কাজেই আমরা ইমিডিয়েটলি তেমন কোনো রাজস্ব হারাচ্ছি না।
স্টাফ রিপোর্টার: অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট জাতীয় ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বর্তমান সরকারের চতুর্থ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৩ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা ব্যয়ের মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ...
স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউ এনার্জি ভেহিকেল (এনইভি) উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি গ্লোবাল র্যাঙ্কিংয়ে ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। সেন্টার অব অটোমোটিভ ম্যানেজমেন্ট (সিএএম) কর্তৃক প্রকাশি ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রৌপ্যের দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাজুস শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ থেকে স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে সার ...
সব মন্তব্য
No Comments