বঙ্গবন্ধু'র জুলিও কুরী শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫১ তম বার্ষিকীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ : 26 May 2024
বঙ্গবন্ধু'র জুলিও কুরী শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫১ তম বার্ষিকীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোটার: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদের পক্ষ থেকে জুলিও কুরী শান্তি পদক প্রদানের ৫১ তম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শান্তি পরিষদের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা আজ ২৬ মে ২০২৪ রবিবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের ২য় তলায় জহুর হোসেন চৌধুরী হলে অনুষ্ঠিত হয়।এতে সভাপতিত্ব করবেন সংগঠনের সভাপতি জননেতা জনাব মোজাফফর হোসেন পল্টু। আলোচনা সভার সূচনা বক্তব্য উত্থাপন করেন শান্তি পরিষদের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসান তারিক চৌধুরী। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শান্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহজাহান খান, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি জনাব নিজামুল হক নাসিম, শান্তি পরিষদের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য যথাক্রমে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা মাহফুজা খানম, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এম আকাশ, এম্বাসেডর মমতাজ হোসেন, গনতন্ত্রী পার্টির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, ন্যাপ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, শান্তি পরিষদের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আশরাফুল হক ঝন্টু, ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তফা আলমগীর রতন এবং মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা শাহ আলম মুরাদ প্রমূখ। সভাটি সঞ্চালনা করেন শান্তি পরিষদের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ফজলু।
সভায় বক্তারা বলেন, নিপীড়িত জাতির মুক্তি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সফল নেতৃত্ব দান এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আজ থেকে ৫১ বছর আগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরী শান্তি পদক প্রদানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু এবং গোটা বাঙ্গালী জাতিকে বিশ্বের দরবারে বিশেষ ভাবে সন্মানিত করেছে। স্বাধীনতার অব্যব্যহিত পরে এরকম বিরল সন্মাননা স্বাধীন বংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়ার বিশেষ ভাবে সাহায্য করেছে। আজ যখন প্যালেস্টাইন,ইউক্রেন এবং প্রতিবেশী মিয়ানমার সহ বিশ্বীর বিভিন্ন দেশে যুদ্ধের দামামা বিশ্ব অর্থনীতিকে এক বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তখন বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগ এবং প্রচেষ্টা থেকে আজকের প্রজন্মের রাজনীতিবিদ ও নাগরিক সমাজের অনেক কিছুই শিক্ষণীয় রয়েছে। তাই বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অসামান্য অবদান চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

;