জাতীয় সংগীত অবমাননাকারীদের চিহ্নিত করে বিচার কর: ছাত্র ফ্রন্ট

প্রকাশ : 12 May 2025
জাতীয় সংগীত অবমাননাকারীদের চিহ্নিত করে বিচার কর: ছাত্র ফ্রন্ট

ডেস্ক রিপোর্ট: সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে গেলে স্বাধীনতা বিরোধী একটা চক্র  সেখানে বাঁধা দেয়, ভূয়া ভূয়া বলে স্লোগান দেয়। এধরণের ঘটনা গোটা জাতির জন্য লজ্জাজনক। এর আগেও একই সমাবেশে কুখ্যাত রাজাকার গোলাম আজম ও নিজামীর নাম ধরে স্লোগান দেয়া হয়েছে। জামাতের ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবির (যার পূর্ব নাম ইসলামী ছাত্র সংঘ) দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় বাঁধা দেয়া এবং ভূয়া রব তোলা আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও সার্বভৌমত্বের জন্য চরম অবমাননা। এই সকল শক্তিকে প্রশ্রয় দিয়ে সরকারি তোষামোদে আন্দোলন চালিয়ে এনসিপি এবং সরকারের একটি মহলও গুরুতর অপরাধ করছে। অবিলম্বে এদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।  


একই সাথে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে চলছে দীর্ঘসূত্রিতা, ঢালাও মামলা এবং সারা দেশে মামলা বাণিজ্য চলছে খোলামেলাভাবে। আর নিহত-আহতদের চিকিৎসা-পুনর্বাসন-ক্ষতিপূরণ ইত্যাদি সকল কিছুতেই চলছে নানা তালবাহান। এই বিচারের প্রক্রিয়াতেই গণহত্যাকারী দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার করা যেত এবং এর মাধ্যমে রাষ্ট্র একটা গণতান্ত্রিক পথে উত্তরণ ঘটাতে পারত। যে প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হল তার মধ্যে দিয়ে গোটা বিচার প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে।


নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, গত ৫৪ বছর ধরে এদেশের মানুষ একাত্তরের গণহত্যার দায়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে বিচার করার দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু কোন সরকার এই উদ্যোগ নেয়নি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারও এই দাবিকে উপেক্ষা করে জামায়াত ইসলামের যুদ্ধাপরাধ ইস্যুকে তাদের রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত হবে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের বিচারের পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধ এবং মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার দায়ে জামায়াতে ইসলামীরও বিচার করে দেশকে কলংকমুক্ত করা।


সম্পর্কিত খবর

;