মো. আতিকুর রহমান মুফতি
এইতো ক’দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা সংকট সৃষ্টি হয়। যদিও ইরানের কাছে বৈশ্বিক মোট তেলমজুদের কেবল ১২ শতাংশ রয়েছে এবং দেশটির উৎপাদিত তেলের ৯০ শতাংশেরই গন্তব্য চীন, তাই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংকটের প্রভাব আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্যাপকভাবে পড়ার কথা নয়। তবুও বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল পরিবহনের ২০ শতাংশের সরবরাহ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’র নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকায় জ্বালানির বৈশ্বিক বাজার কিছুমাত্রায় স্থিতিশীলতা হারায়। তাতে তেলের দাম যতটুকু ওঠা-নামা করে তা সংকট ছাড়াও স্বাভাবিক সময়ে হরহামেশাই দেখা যায়। তা সত্ত্বেও, অনিশ্চয়তার কথা ভেবে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশ সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি তেল মজুদে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে শুরু করে।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এসব সংবাদ প্রকাশ হতেই দেশের অনেক মানুষ ভীত হয়ে নিজের কাছে অপ্রয়োজনে তেলের মজুত করা শুরু করে। আগামীতে তেল না পাওয়ার গুজবে প্রতিদিন গভীর রাত থেকেই যানবাহন নিয়ে প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের সামনে লাইনে দাঁড়ায় চালকরা। প্রয়োজন না থাকলেও গুজবের প্রভাবে ভয় পেয়ে সবাই একযোগে তেল সংগ্রহ করতে গেলে সরবরাহ ব্যবস্থায় সংকট তৈরি হয়। যথেষ্ট সরবরাহ থাকার পরও অস্বাভাবিক চাহিদার ফলে তেলের খানিকটা সংকট পড়ে। ক্ষেত্র বিশেষে, কোথাও কোথাও তেলের জন্য লাইনে থাকা গ্রাহকদের মধ্যে তেল আগে-পরে পাওয়া নিয়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে, পাম্পের মালিক-কর্মচারীরা ভোগেন নিরাপত্তাহীনতায়। অবস্থাদৃষ্টে, সরকার যানবাহনের শ্রেণিভেদে তেলের প্রাপ্যতা নির্ধারণ করে দেয় এবং প্রতিটি পাম্পে নিয়োগ করা হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
প্রকৃতপক্ষে, দেশে জ্বালানি তেলের কিন্তু কোন সংকট ছিল না, সংকট ছিল আস্থার এবং এর পেছনে প্রভাব ছিল গুজবের। গুজবের কারণে জনভোগান্তির ঘটনা দেশে এটাই যে প্রথম তা কিন্তু নয়। এর আগে ২০১৯ সালে দেশে লবণ সংকট নিয়ে গুজব ছড়ায়, তারও আগে তামার এক টাকার কয়েনকে কোটি টাকায় বিক্রির চটকদার গুজবের খোঁজ মেলে। এছাড়া, বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির কঙ্কাল চুরি, ম্যাগনেটিক সীমানা পিলার বা নিরীহ প্রাণী তক্ষকের কোটি টাকা মূল্য, বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেকেই। আবার, ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক গুজবের মাধ্যমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসাত্মক সম্পর্ক তৈরির প্রবণতাও লক্ষ্য করা যায়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো অপতথ্য বা গুজবের পেছনে থাকে প্রতিক্রিয়াশীল কোনো গোষ্ঠী। আবার অনেক সময় না বুঝে, খেলার ছলে বা অনলাইনে ভিউ বাড়াতে ছড়িয়ে দেয়া হয় সংবেদনশীল অপতথ্য।
তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার ২০২৫ সালে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন চার হাজার ১৯৫টি অপতথ্যের বিস্তার শনাক্ত করে। ২০২৪ সালে এ সংখ্যাটি ছিল দুই হাজার ৯১৯। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে অপতথ্যের সংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রায় ৩০ শতাংশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ২০২৫ সালে তিন হাজার ৮০৬টি ভুল তথ্য শনাক্ত করা হয়। এই হিসেবে প্রতিদিন গড়ে ১০টির বেশি অপতথ্য প্রচারিত হয়েছে এ প্ল্যাটফর্মে। ফেসবুকের পর একক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বেশি ভুল তথ্য ছড়িয়েছে ইনস্টাগ্রামে, এক হাজার ১১৮টি। টিকটক ও ইউটিউবে ভুল তথ্য ছড়িয়েছে যথাক্রমে ৬৭৭টি ও ৬৫৩টি। এছাড়া, গেল বছর এক্সে (সাবেক টুইটার) উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপতথ্য প্রচার করা হয়েছে বাংলাদেশকে নিয়ে। এই প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া ৪৫৭টি অপতথ্য শনাক্ত করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি। এসময়ে, এআই-ডিপফেকের ব্যবহার বেড়েছে ৪০৯ শতাংশ, ভুয়া ফটোকার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৭ শতাংশ এবং রাজনৈতিক অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে ২২৮১টি।
প্রকৃতপক্ষে, গুজব হলো সমাজের বুকে নিঃশব্দে ছড়িয়ে পড়া এক অদৃশ্য বিষ, যা সত্যের আবরণ ছাড়াই মানুষের মনে সন্দেহ, ভয় ও বিভ্রান্তির জন্ম দেয়। এটি এমন এক অলীক কথামালা, যা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই মানুষের মুখে মুখে, কখনো বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অদৃশ্য স্রোতে মুহূর্তের মধ্যেই বিস্তার লাভ করে। কৌতূহল, আবেগ কিংবা অজ্ঞতার বশে মানুষ অনেক সময় যাচাই-বাছাই না করেই এসব কথাকে সত্য বলে গ্রহণ করে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবেই গুজবের বিস্তারে ভূমিকা রাখে। অথচ একটি মিথ্যাই অনেক সময় ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে গভীর অস্থিরতা, অবিশ্বাস ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সহস্র তথ্য-অপতথ্যের মাঝে সত্যকে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন সচেতনতা, বিবেকবোধ ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রতি আস্থা। সত্য মানুষকে আলোর পথে পরিচালিত করে, আর গুজব সমাজকে ঠেলে দেয় বিভ্রান্তির অন্ধকারে।
গুজব সাধারণত তখনই ছড়িয়ে পড়ে, যখন কোনো ঘটনা সম্পর্কে মানুষের মনে কৌতূহল, অনিশ্চয়তা বা ভয়ের সৃষ্টি হয় এবং সত্য তথ্যের অভাবে তারা শোনা কথাকেই সত্য বলে গ্রহণ করতে শুরু করে। আবেগ, উত্তেজনা ও অপরিণামদর্শিতার কারণে অনেকেই তথ্য যাচাই না করেই তা অন্যের কাছে প্রচার করে, ফলে একটি অসত্য কথা অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে যায়।
গুজব মূলত দুই শ্রেণির মানুষ ছড়ায়। এক শ্রেণির মানুষ অসচেতনতা ও অজ্ঞতার কারণে না বুঝেই গুজব প্রচার করে থাকে। আরেক শ্রেণির মানুষ ব্যক্তিগত স্বার্থ, প্রতিহিংসা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি কিংবা কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়ায়। এ ধরনের মানুষ সমাজের শান্তি ও সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করে। তাই গুজব প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা, সত্য যাচাইয়ের মানসিকতা এবং দায়িত্বশীল আচরণ।
গুজবের বিস্তার কোনো একক পথে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি নানা মাধ্যমে নীরবে ও দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ে সমাজের ভেতরে। এর সবচেয়ে প্রাচীন বাহন হলো মুখে মুখে প্রচার, যেখানে একটি অসম্পূর্ণ বা বিকৃত কথা একজনের কণ্ঠ থেকে আরেকজনের কানে যেতে যেতে রূপ বদলে ফেলে, নতুন রঙে রঞ্জিত হয়। আধুনিককালে এই প্রবাহে যুক্ত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব, টিকটক ইত্যাদি। যেখানে একটি যাচাইহীন বার্তা বা ছবি মুহূর্তের মধ্যেই অসংখ্য মানুষের অনুভূতিকে নাড়া দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে ঝড়ের বেগে। এর পাশাপাশি কখনো অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও ব্লগে অপব্যাখ্যা, আবার কখনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গোষ্ঠীর পরিকল্পিত প্রচারণা গুজবকে আরও গভীর ও বিস্তৃত করে তোলে। এভাবেই নানা পথ বেয়ে গুজব প্রবেশ করে মানুষের চিন্তা ও সমাজের বুননে, সৃষ্টি করে বিভ্রান্তির অদৃশ্য জাল।
আধুনিক তথ্যসমৃদ্ধ এই যুগে ‘তথ্য’ যেমন শক্তির উৎস, তেমনি ভুল বা বিকৃত তথ্য সমাজের জন্য এক গভীর সংকট। এই প্রেক্ষাপটে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হলো-মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন এবং ম্যালইনফরমেশন। এগুলো আপাতদৃষ্টিতে কাছাকাছি মনে হলেও তাদের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যে মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান। মিসইনফরমেশন হলো এমন ভুল বা অপ্রমাণিত তথ্য, যা কেউ ইচ্ছা ছাড়াই ছড়িয়ে দেয়। অর্থাৎ, ব্যক্তি নিজেও জানে না যে তথ্যটি ভুল, তবুও সে তা সত্য ভেবে অন্যের কাছে শেয়ার করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বাস্থ্য সম্পর্কিত একটি ভুল টিপস দেখে তা যাচাই না করে শেয়ার করলে সেটি মিস ইনফরমেশন হয়ে যায়। অন্যদিকে, ডিসইনফরমেশন হলো ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়ানো মিথ্যা তথ্য। এখানে উদ্দেশ্য থাকে মানুষকে বিভ্রান্ত করা, ক্ষতি করা বা কোনো নির্দিষ্ট স্বার্থ হাসিল করা। যেমন-রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হেয় করতে বা সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে ভুয়া খবর ছড়িয়ে দেওয়া। আর, ম্যালইনফরমেশন হলো সত্য তথ্যকেও বিকৃতভাবে বা ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা। অর্থাৎ তথ্যটি সত্য হলেও সেটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে ব্যক্তি বা সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন কারও ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করে তাকে অপমানিত করা বা প্রসঙ্গ ছাড়া সত্য তথ্য ব্যবহার করে বিভ্রান্তি তৈরি করা।
গুজব প্রতিরোধের মূল ভিত্তি হলো সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল আচরণ। কোনো তথ্য শোনামাত্র তাকে সত্য হিসেবে গ্রহণ না করে তার উৎস, প্রেক্ষাপট ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই বিকাশের যুগে একটি ছবি, পোস্ট বা ভিডিও শেয়ার করার আগে তা বিশ্বস্ত মাধ্যম থেকে নিশ্চিত না করলে অজান্তেই আমরা গুজবের বিস্তারে অংশীদার হয়ে পড়ি। গুজব প্রতিরোধে শিক্ষা মানুষের মাঝে জ্ঞান ও যুক্তিবোধের আলো জ্বালায়, গণমাধ্যম সত্য ও যাচাইকৃত তথ্য প্রদান করে বিভ্রান্তি দূর করে, আর পরিবার গড়ে তোলে মূল্যবোধ ও নৈতিকতার ভিত্তি। পাশাপাশি সমাজে সহনশীলতা, ধৈর্য এবং অন্যের কথা শুনে বিচার করার মানসিকতা গুজবের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এছাড়া সন্দেহজনক বা অযাচাইকৃত তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকা, অন্যকে সচেতন করা এবং প্রয়োজনে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও গুজব নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
বর্তমান বিশ্ব তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর। ইন্টারনেট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে মানুষ খুব সহজেই তথ্য আদান-প্রদান করতে পারছে। তবে এর নেতিবাচক দিকও রয়েছে। এখন সত্যের পাশাপাশি মিথ্যা-বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই গুজব প্রতিরোধে ফ্যাক্ট চেকিং বা তথ্য যাচাই আজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। ফ্যাক্ট চেকিং হলো কোনো তথ্য, সংবাদ, ছবি কিংবা ভিডিওর সত্যতা যাচাই করার প্রক্রিয়া। অর্থাৎ কোনো তথ্য পাওয়ার পর সেটি কতটা সত্য, কতটা নির্ভরযোগ্য এবং কোথা থেকে এসেছে তা খতিয়ে দেখা। তথ্য শেয়ার করার আগে তার উৎস যাচাই করা প্রয়োজন। বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যম, সরকারি সূত্র বা নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট থেকে তথ্য মিলিয়ে দেখা উচিত। একই খবর একাধিক বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে কিনা সেটিও যাচাই করা জরুরি। এছাড়া ছবি বা ভিডিওর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন অনলাইন টুল ব্যবহার করা যায়। বর্তমানে বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠানও নিয়মিতভাবে ভুয়া তথ্য শনাক্ত করে মানুষকে সচেতন করছে। গুজব শনাক্ত করে জনগণকে সচেতন করতে তথ্য অধিদফতরের গুজব সেলসহ প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান নিরন্তর কাজ করে চলেছে।
মনে রাখা প্রয়োজন, সত্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো শক্তি। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে মিথ্যার বহুমুখী বিস্তারের কাছে ‘সত্য’ সাময়িক সময়ের জন্য অসহায় হয়ে পড়ে। তখন এসব অপতথ্য বা গুজব সহিংসতা ও নৈরাজ্যের প্রধান নিয়ামক হয়ে ওঠে। সত্যকে সবসময় নিজেকে প্রমাণ করতে হয়, আর মিথ্যা কখনোই প্রমাণের ধার ধারে না। গুজব জন্ম নেয় কেবল বিশৃঙ্খলা, সন্দেহ ও ভেদাভেদ তৈরির অভিপ্রায়ে। তাই প্রশাসনিক পদক্ষেপের পাশাপাশি জনসচেতনতাই হতে পারে গুজব থেকে সমাজকে রক্ষার প্রধান অস্ত্র।
#
-লেখক : সহকারী তথ্য অফিসার, তথ্য অধিদফতর।
পিআইডি ফিচার
মোঃ আব্দুর রহিম (কৌশিক)রাষ্ট্র পরিচালনা কখনো কেবল দৃশ্যমান প্রতিষ্ঠান, সংবিধান কিংবা আনুষ্ঠানিক কাঠামোর ভেতর সীমাবদ্ধ থাকে না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- ক্ষমতার অলিন্দে এমন কিছু অদৃশ্য বলয় প্রায় সব সময়ই সক্ ...
মানিক লাল ঘোষ:বাঙালির চেতনা ও মননে কবি নজরুল এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবির্ভাব ছিল ধূমকেতুর মতো। তাঁরা দুজনেই ছিলেন আপাদমস্তক স্বাধীনতাকামী, অসাম্প্রদায়িক এবং শোষণের বিরুদ্ধে আপসহ ...
মোঃ খালিদ হাসান:বাংলাদেশের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন এখন শুধু পরিবেশগত সংকট নয়, এটি অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্বের প্রশ্ন। তাপদাহ, বায়ুদূষণ, নদীভাঙন, লবণাক্ততা বৃ ...
মোঃ মামুন হাসান:পবিত্র ঈদুল আযহা মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। আত্মত্যাগ, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনের মহিমান্বিত শিক্ষাই এ উৎসবের মূল প্রতিপাদ্য। হযরত ই ...
সব মন্তব্য
No Comments