জুলাই বার্ষিকীতে জামায়াতের ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশ : 01 Jul 2026
জুলাই বার্ষিকীতে জামায়াতের ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা


স্টাফ রিপোর্টার: ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ৩০ জুন জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।


ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে ২ থেকে ৯ জুলাই রাজধানীতে জুলাই শহীদ, আহত ও পঙ্গু পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়, স্মৃতিবিজড়িত স্থানে স্মৃতিচারণ, আলোচনা ও দোয়া রয়েছে। ১৬ জুলাই জুলাই শহীদ দিবসে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে আলোচনা সভা, ১৮ থেকে ৩১ জুলাই সারাদেশে একই ধরনের কর্মসূচি, ১ আগস্ট মহানগরী, জেলা ও উপজেলায় গণমিছিল এবং ২ থেকে ৪ আগস্ট শ্রমিক সংগঠনের উদ্যোগে কর্মসূচি পালিত হবে। ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে রাজধানীসহ সারাদেশে সমাবেশ ও মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়। এছাড়া মহিলা বিভাগ, ছাত্র সংগঠন ও জুলাই যোদ্ধাদের ফোরামের উদ্যোগেও কর্মসূচি থাকবে।


সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, কিছু সংবাদপত্র রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে। তিনি করপোরেট মালিকানাধীন গণমাধ্যমকে সত্য সংবাদ পরিবেশন ও হলুদ সাংবাদিকতা পরিহারের আহ্বান জানান। বিএনপিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, যারা অখণ্ড পাকিস্তান চেয়েছে তাদের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী বানোর দায়ে বিএনপিরই জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি অতীত থেকে বেরিয়ে জুলাই চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের কথা বলেন।


সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম বলেন, গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে জুলাই আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে না এবং পুরোনো ফ্যাসিবাদ নতুন রূপে ফিরে আসবে। ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি পুরোনো ফ্যাসিবাদের সুরে কথা বলছে। মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, বিচার ও সংস্কার না হলে সরকারকে তা নিশ্চিত করতে বাধ্য করবে জামায়াত। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল ও উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জুলাইকে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক উল্লেখ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আপস না করার ঘোষণা দেন।


সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। এতে কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


সম্পর্কিত খবর

;