মহিপুর থানাভবন ঘেরাও ভন্ডুল করেছে পুলিশ।। ৮ পুলিশ সদস্যসহ আহত ২২, গ্রেফতার ১

প্রকাশ : 17 Jun 2022
No Image

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নির্বাচন পরবর্তী সংহিসতার মামলায় একজনকে গ্রেফতারের পর মহিপুর থানাভবন ঘেরাও কর্মসূচী ভন্ডুল করেছে পুলিশ। প্রায় তিন শতাধীক বিক্ষুদ্ধ জনতা ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ধাওয়া পল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ৮ পুলিশের সদস্যসহ কমপক্ষে ২২ জন আহত হয়েছে। এরমধ্যে গুরুতর আহত এসআই আব্দুল হালিম (৪৭) ও কনস্টেবল আফজাল হোসেন কলাপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিয়েছে। এছাড়া বাকিরা স্থানীয় পর্যায় চিকিৎসা নিয়েছে। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে জলিল ঘরামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, লতাচাপলী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পরাজিত মেম্বার প্রার্থী আব্দুল জলিল ঘরামীর ছোট ভাই মো.খলিল ঘরামীর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার সকালে বিজয়ী প্রার্থী আবুল হোসেন কাজী’র সমর্থক কবির মোল্লাকে বেধড়ক মারধর করেন। বর্তমানে সে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় কবির মোল্লার স্ত্রী মোসাঃ শিউলী বেগম বাদী হয়ে শুক্রবার দুপুরে খলিল ঘরামীকে প্রধান আসামী করে মহিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ প্রধান আসামী খলিল ঘরামীকে গ্রেফতার করেন। তাকে মুক্ত করতে তিন শতাধিক নারী পুরুষ থানাভবন ঘেরাও করে।
মহিপুর থানার ওসি খন্দকার আবুল খায়ের বলেন, আসামী ছিনিয়ে নেয়ার জন্য জলিল ঘরামী নেতৃত্বে তিন শতাধীক জনতা থানার সামনে জড়ো হয়। তাদেরকে বারবার সরে যেতে অনুরোধ করা হয়। এতে তারা কর্ণপাত করেনি। পরে পুলিশ ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এসময় এস আই হালিম হওরাদার,কনস্টেবল আফজাল,ওবাদুল,মিলন, নরী পুলিশ নাসরিন, শিলা রানি, লিজা ও নাহার আহত হয়। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে জলিল ঘরামী নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে । হামলাকারীদের দ্রুতই আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সম্পর্কিত খবর

;