স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, ইখলাসের সাথে দ্বীনের কাজ করতে হবে, অর্পিত সাংগঠনিক দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। আমরা জামায়াতকে নয়, ইসলামকে ক্ষমতায় আনতে চাই। ইসলামের আলোকে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র কায়েম হলে মদীনার আদলে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই সমান নিরাপত্তা পাবে। শিক্ষিত মা হলে জাতি শিক্ষিত হবে। তবে সেই শিক্ষা হতে হবে রাব্বুল আলামিনের নামে। তিনি বলেন, চোখের পানি ফেলে সিজদায় পড়ে আল্লাহর সাহায্য চাইতে হবে। আমরা আল্লাহরই সাহায্য চাই। আমাদের আকাক্সক্ষা হবে প্রত্যেক মানুষকে দ্বীনের ছায়াতলে নিয়ে আসা।
আমীরে জামায়াত আরও বলেন, মুমিনদের দায়িত্ব হলো প্রতিবেশীর হক আদায় করা। আমরা সবাই আল্লাহর গোলাম; এটাই আমাদের পরিচয়। তিনি দায়িত্বশীলদের উদ্দেশে বলেন, বুঝে-শুনে জনশক্তিকে পরিচালনা করতে হবে। সংগঠনের কেউ অপরাধ করলে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বিচার হবে। ব্যক্তি নিজেকে পাহারা দিবে, সংগঠন সবাইকে পাহারা দিবে। আমীরে জামায়াত সকল ইসলামী দল ও শক্তির সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি ও সম্পর্ক সুদৃঢ় করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, শহীদ নেতৃবৃন্দের রক্ত, মজলুমের চোখের পানি ও মুখলিছ নেতাকর্মীদের ত্যাগ কুরবানির কারণে আমাদের প্রতি জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা বেড়েছে। তিনি সংগঠনের জনশক্তিদের কুরআন, হাদীসসহ বুদ্ধিবৃত্তিক সকল বিষয়ে অধ্যয়ন বাড়াতে এবং পরিবারের সাথে সম্পর্ক ও সময়দান বাড়ানোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
৩০ ও ৩১ মে জুম’আবার ও শনিবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের উদ্যোগে জেলা ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্যদের দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে আয়োজিত শিক্ষাশিবিরে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা পেশ করেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল সহকারী পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিনের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, অঞ্চল টিম সদস্য মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ এবং রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের বর্তমান ও সাবেক জেলা আমীরবৃন্দ।
মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সাংগঠনিক ও সামাজিক জীবনে আচরণ সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন হতে হবে। উত্তম ব্যবহার দায়িত্বশীলদেরকে সংগঠনের জনশক্তি ও সাধারণ মানুষের নিকট গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, সংগঠনের জনশক্তির সকল কিছু আখিরাতমুখী হতে হবে। সংগঠনের মজবুতি অর্জনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ইউনিট সংগঠন। সাংগঠনিক মজবুতি অর্জন ও জনসমর্থন বৃদ্ধি করে সফলতা অর্জন করতে হবে।
চট্টগ্রাম অফিস: গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে বিভাগীয় সমাবেশ করেছে এগারো দলীয় ঐক্য। সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দ ...
স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল এবং শিল্পোন্নত দেশে রূপান্তর করা, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্য ...
স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে ঘাটতি ও ঋণ নির্ভরতার বাজেট হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম ম ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ও কারিগরি সেক্টরের ন্যায্যতা আদায়, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি সমর্থিত ডিপ্লোমা প্রকৌশলী উইং ন্যাশনাল ডিপ্ল ...
সব মন্তব্য
No Comments