তারেক রহমানের দেশে ফেরার নেপথ্যে নিরাপত্তা ও নির্বাচন

প্রকাশ : 20 Jun 2025
তারেক রহমানের দেশে ফেরার নেপথ্যে নিরাপত্তা ও নির্বাচন

ডেস্ক রিপোর্ট: রন্ডনে ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠকের পর বিএনপিরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাংলাদেশে কবে ফিরবেন, সেটি নিয়ে নতুন করে আগ্রহ, কৌতুহল এবং আলোচনা দেখা যাচ্ছে।  এই খবর নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি বাংলা।


তারেক রহমান ঢাকায় কোথায় থাকবেন, সেই বাড়ির প্রস্তুতির খবরও হচ্ছে দেমের গণমাধ্যমে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে তিনি কবে দেশে ফিরবেন আর ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর দশমাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কেন তার দেমে ফেরা হলোনা? 

এই প্রশ্নের ইত্তর খোঁজার পাশাপাশি বিবিসি বাংলা চেষ্টা করেছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাই বা কী? 

২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পট পরিবর্তনের পর দ্রুততার সাথে তারেক রহমান প্রায় সকল মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।


এছাড়া ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার মামলাসহ আরো যেসব মামলায় সাজা হয়েছিল আদালতের রায়ে তার সবগুলো থেকেই খালাস পেয়েছেন তিনি। সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে এই মুহূর্তে তারেক রহমানের দেশে ফিরতে কোনও ধরনের বাঁধা নেই।

তারেক রহমানের একজন উপদেষ্টা মাহদী আমান বলেছেন, কোন সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি, তবে নির্বাচনের আগে দেশে আসবেন তিনি। এ ব্যাপারে তারেক রহমান নিজেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

লন্ডনের ইউনূস তারেক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তারকে রহমানের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের নিরাপত্তার ইস্যুটি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া আর নিরাপত্তা -দুটো আলাদা বিষয়।


এনার মতো লিডারের সিকিউরিটি কনসার্ন (নিরাপত্তার উদ্বেগ) স্বাভাবিকভাবে আছেই। এটা এশিয়া মাহাদেমের রাজনীতিতে নাথিং নিউ। পলিটিক্স ইন দ্য এশিয়া প্যাসিফিক অর সাউথ এশিয়া এনি হোয়্যার ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড এই ধরনের সিনিয়র পলিটিক্যাল লিডারের নিরাপত্তা ঝঁকির বিষয়তো আছেই বলেন মি. কবির।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের দেশের রাজনীতিটা হচ্ছে প্রতিহিংসাপরায়ণতায় ভরা। তার প্রতি যে আচরণ সে সময় করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো ইনভলব ছিল। তারা হয়তো ভাবতে পারে তারেক ফিরে এলে তিনি যদি প্রতিশোধ নেন। তো এরকম একটা চিন্তা থাকতে পারে। কারণ আমাদের রাজনীতিতে এটা হরদম চলছে।

সম্পর্কিত খবর

;