স্টাফ রিপোর্টার: ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য রেখেছেন সরকার ও বিরোধী দলীয় সদস্যরা। সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর, সেখানে রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। স্বাধীনতা বিরোধীদের (জামায়াত) রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্যদিকে বাজেটের কঠোর সমালোচনার পাশাপাশি প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘অবাস্তব, বাস্তবায়ন অযোগ্য ও বৈষম্যের দলিল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্ব স্থগিত রেখে প্রস্তাবিত বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দল জামায়তে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। তিনি বলেন, এই দলটি ১৯৭১ সালে এদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল। আমি এই মহান সংসদে দাবি করবো তারা যেন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে না পারে। তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মতো নিষিদ্ধ করা হোক।
সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন নামের পরে ধর্ম থাকলেই যেভাবে ইসলাম হয় না, ইসলাম নাম বলেই যেভাবে ইসলাম ধর্মের রাজনীতি করেন, গত নির্বাচনে তারা ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশত দিয়েছেন। আমরা দেখেছি, বিড়ির সুখটানের মধ্য দিয়েও তারা বলেছে যে সকল পাপ মওকুফ হয়ে যাবে। একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা ইসলামের নামে রাজনীতি করছে। এই দলটি ১৯৭১ সালে এদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। এই মহান সংসদে দাবি করবো, যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল, তারা বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মতো নিষিদ্ধ করা হোক।
সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, এই প্রথম বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে বাজেটের প্রতিফলন বাজারে কোনভাবেই কোনও দ্রব্যমূল্য বাড়েনি। বাজেটে নিত্যপণ্য দ্রব্যের ওপরে ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক কমিয়ে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ করার এক বিশাল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম ইমাম মুয়াজ্জিনদের জন্য বাজেট রাখা হয়েছে। অথচ গত ১৭ বছর আমরা দেখেছি এদেশের ইমাম সমাজকে কীভাবে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে খুন করা হয়েছে। শাপলা চত্তরে মাদ্রাসার ছাত্রদের বিনা অপরাধে লাইট বন্ধ করে নির্যাতন ও তাদেরকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছিল। অথচ ইসলাম প্রিয় মানুষের স্বার্থে এই বাজেট দেওয়া হয়েছে। কওমি মাদ্রাসার জন্য বাজেট রাখার দাবি জানান তিনি।
এরআগে দেশে মসজিদ-মাদ্রাসায় সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মিটিং বন্ধে আইন পাস করার দাবি জানান বিএনপির সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ। তিনি বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর, সেখানে মানুষ নামাজ ও কোরআন শরিফ পড়বে। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দল মসজিদে গিয়ে রাজনীতি করছে। মসজিদের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করব আইন পাস করার জন্য, যাতে কোনো মসজিদ-মাদ্রাসায় রাজনৈতিক মিটিং করা না যায়। আমরা যেমন প্রকাশ্যে ফুটবল মাঠে, হাই স্কুলে কিংবা কোনো হলরুমে বিএনপি বা অন্য রাজনৈতিক দলগুলো কর্মীসভা ও জনসভা করে মিটিং করি, তাদেরকেও সেই ব্যবস্থা করতে হবে। তারা মসজিদে মিটিং করতে পারবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ, আইন পাস করে মসজিদ-মাদ্রাসায় রাজনৈতিক মিটিং নিষিদ্ধ করা হোক।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘অবাস্তব, বাস্তবায়ন অযোগ্য ও বৈষম্যের দলিল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব আলম। তিনি অভিযোগ করেন, এ বাজেটে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হয়নি এবং উত্তরবঙ্গকে চরমভাবে অবহেলা করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী নিজেই সম্পদের অসম বণ্টন, সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির কারণে বৈষম্য সৃষ্টির কথা স্বীকার করেছেন। কিন্তু দুর্নীতি রোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সকল সংসদীয় আসনে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়ে বাজেটে কোনো কার্যকর কৌশল নেই। বাজেট বাস্তবায়নেও সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বৈষম্য রয়েছে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বগুড়ার শিবগঞ্জে ১৩২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও গাজীপুরে তার চেয়ে প্রায় ৯০ শতাংশ বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাজেটের ৩ লাখ কোটি টাকা ৩০০ সংসদীয় আসনে সমানভাবে বণ্টনের জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন।
এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রাকে অবাস্তব উল্লেখ করে মাহবুব আলম বলেন, নতুন বাজেটে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ওপর করের চাপ বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসার টার্নওভারের ওপর এক শতাংশ কর আরোপ করায় ছোট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তিস্তা প্রকল্প, কুড়িগ্রাম ইপিজেড ও একটি মেডিকেল কলেজের কথা বলা হলেও এসব প্রকল্পে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। কৃষিখাতেও পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই। গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করেন তিনি।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ডিভোর্স হতে পারে না : জিএম সিরাজ
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ হতে পারে, কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ‘ডিভোর্স’ হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) সিরাজ। বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ক্ষণস্থায়ী হতে পারে, তাদের মধ্যে ডিভোর্সও হতে পারে। কিন্তু ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিবেশী সম্পর্কের ডিভোর্স হতে পারে না। ভারতও বাংলাদেশকে অস্বীকার করতে পারবে না, বাংলাদেশও ভারতকে অস্বীকার করতে পারবে না। তিনি আরো বলেন, দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। সম্প্রতি ভারতের নতুন হাইকমিশনার দুই দেশের বন্ধুত্ব নিয়ে কাব্যিক ভাষায় কথা বলেছেন। কিন্তু এরপরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতবিরোধী নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।
ভারতের ‘পুশ-ইন’ বা ‘পুশ-ব্যাক’ কার্যক্রমের সমালোচনা করে জিএম সিরাজ বলেন, এটি বন্ধ হওয়া উচিত। ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের হৃদয় জয় করুন। দুই দেশের মানুষের মধ্যে হৃদয়ের সম্পর্ক গড়ে তুলুন। আমরা ভারতবিরোধিতা বা বাংলাদেশবিরোধিতা চাই না, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চাই। তিনি আরো বলেন, সীমান্তে পুশ-ইনের পাশাপাশি মাদক পাচারও বড় উদ্বেগের বিষয়। মাদকের কারণে দেশের যুবসমাজ, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বাংলাদেশে অপ্রাসঙ্গিক বলে ভারতকে মনে করিয়ে দেন এমপি জিএম সিরাজ। তিনি বলেন, ‘আহ্বান করি, এখানে শেখ হাসিনা অপ্রসঙ্গিক। তাকে নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথা নাই। বাংলাদেশে উনি নাই হয়ে গেছে। আউট অফ সিন এন্ড সে কোনদিনই বাংলাদেশে। ‘বিদেশি প্রভুর’ কারণে সমুদ্রের তেল গ্যাস তোলা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংসদে ‘মবক্রেসি’ শব্দ নিয়ে বিতর্ক, এক্সপাঞ্জের দাবি নাকচ :
জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর মিছিল ও প্রতিবাদকে ‘মবক্রেসি’ হিসেবে উল্লেখ করাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। শব্দটি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানালেও তা নাকচ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বাজেট প্রতিক্রিয়া হিসেবে জামায়াতে ইসলামী যে মিছিল ও প্রতিবাদ করেছে, তা নিয়ে আলোচনার সময় এক সদস্য ‘মবক্রেসি’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। শব্দটি সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ (বাদ) করার দাবি জানান তিনি।
জবাবে স্পিকার বলেন, ‘মবক্রেসি’ কোনো অশ্লীল শব্দ নয় এবং এটি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার মতো বিষয়ও নয়। তিনি সংশ্লিষ্ট সদস্যকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, বাজেট আলোচনায় বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ এলে তিনি চাইলে এ বিষয়ে জবাব দিতে পারেন।
এ সময় স্পিকারের বক্তব্যে আপত্তি জানান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি শব্দটি নিয়ে আপত্তি তুলে বলেন, ‘মবক্রেসি’ শব্দটি ইতিবাচক অর্থ বহন করে না এবং এটি আপত্তিকর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, অতীতে বিএনপি বা অন্যান্য রাজনৈতিক দলও বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় কর্মসূচি দিয়েছে। সেসব আন্দোলনও কি তাহলে ‘মবক্রেসি’ ছিল?
তবে স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। তিনি বলেন, ‘মবক্রেসি’ বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক পরিভাষা এবং বিভিন্ন বক্তৃতায় শব্দটির ব্যবহার দেখা যায়। এটি কোনো অশ্লীল বা অসংসদীয় শব্দ নয়। শব্দটি মূলত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বাইরে জনতার চাপভিত্তিক রাজনৈতিক আচরণের সমালোচনায় ব্যবহৃত হয়। তাই সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এটি বাদ দেওয়ার কোনো কারণ নেই।
সংসদে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ :
বাজেট অধিবেশনে সংসদ কক্ষে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। তিনি বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রীদের আসন খালি থাকা নিয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক নোট করে এখানে আসি। সরকারি দল, বিরোধী দল সকলেই এখানে বক্তব্য দেন। কিন্তু এখানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অনেক মন্ত্রী নাই। মন্ত্রীদের চেয়ার সব খালি। মন্ত্রীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্পিকারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
জবাবে স্পিকার বলেন, অধিবেশনে মন্ত্রীদের আরো উপস্থিতি দেখতে চাই। তবে অর্থমন্ত্রী এখানে আছেন। সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে অন্যান্য মন্ত্রীদেরকেও অনুরোধ জানাবো, বাজেট সেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেশন, তারা থাকলে আমরা বাধিত হবো।
এরপর চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, অনেকে রাষ্ট্রীয় কাজে বা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকেন, এটা ঠিক। তবে তাদের সংসদে আসা উচিত, আসলে ভালো হয়। অর্থমন্ত্রী আগাগোড়া এখানে উপস্থিত আছেন। কারণ বাজেট সংক্রান্ত সব বিষয়ে যে কথা বলা হয়, সকল কথার শেষ কথা গিয়ে অর্থমন্ত্রীই বলবেন। তিনি স্বাস্থ্য খাতেও বলবেন, বিদ্যুৎ খাতের কথাও বলবেন, পুলিশের কথাও বলবেন, আইনের কথাও বলবেন। অর্থমন্ত্রী ছাড়াও এলজিআরডি মন্ত্রী সবসময় উপস্থিত থাকেন। আশা করবো, যেসব মন্ত্রী এখানে উপস্থিত নাই, তারা যেন উপস্থিত থাকেন।
স্টাফ রিপোর্টার: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর রায় আগামী ৩০ জুন মঙ্গলবার ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।আন্তর ...
ডেস্ক রিপাের্ট: কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সেলিমা আহমাদ মেরী মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।রবিবার ২১ জুন বাংলাদেশ সময় রা ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী জোট এনসিপির সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে ...
স্টাফ রিপোর্টার: সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জাসদের প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা মোশারেফ হোসেন মারা গেছেন। রোববার ২১ জুন রাত ১টা ১৫ মিনিটে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বা ...
সব মন্তব্য
No Comments