কৃষি অফিসের তত্বাবধানে এগিয়ে যাচ্ছে কফি চাষি শফিকুল

প্রকাশ : 25 Nov 2025
কৃষি অফিসের তত্বাবধানে এগিয়ে যাচ্ছে কফি চাষি শফিকুল

সৈয়দ মাহামুদ শাওন: কমলা, মাল্টা, আম সহ কমপক্ষে ১০৫ ধরনের ফলের চাষাবাদে সফল প্রবাস ফেরত কৃষক শফিকুল। এবার তিনি বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষ শুরু করেছেন।


রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার জৌদগরিব এলাকায় সাথী ফসল হিসেবে কফি চাষ করেছেন কৃষক শফিকুল। সরকারের কাজুবাদাম এবং কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় তাঁর বাগানে ১৩৫টি অ্যারাবিক জাতের চারা সংগ্রহ করে কফি চাষ শুরু করেছেন। সবুজ পাতার আড়ালে থোকায় থোকায় ঝুলছে কাঁচা-পাকা লালচে সবুজ কফি। আম গাছের পাশাপাশি এভাবেই ২ বছর ধরে কফি চাষ করে সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে স্বপ্ন দেখছেন এ কৃষক। 


লালচে হয়ে যাওয়া কফির ফল সংগ্রহ করে প্রথমে পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হয়। এরপর লম্বা সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। একটু নরম হওয়ার পর কফির ওপরের চামড়া ছাড়িয়ে নিতে হয়। পরে গুটিগুলো রোদে শুকিয়ে নিতে হয়। বাজারজাত ও কফিপান করার উপযোগী করতে মেশিনের মাধ্যমে গুড়া পাউডারের মতো করে নিতে হয়। আবার কফির বীজ থেকে চারা উৎপাদনও করা যায়। 


বরেন্দ্রের সমতল ভূমিতে শখের বশে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক কফি চাষ করেছি। আশা করছি, সফল হবো বলে জানান কফি চাষী শফিকুল ইসলাম।


বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ ঘটাতে পারলে আরও নতুন নতুন চাষি উঠে আসবে। কৃষি অফিস থেকে কফি চাষী শফিকুলকে সার্বক্ষণিক পরামর্শ সহায়তা দেয়া হচ্ছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ।


তানোর উপজেলার প্রথম কফি চাষী শফিকুল কফি চাষে সফলতা পেলে আমদানি নির্ভরতা কমার পাশাপাশি বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করছেন কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা।

সম্পর্কিত খবর

;