স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে বর্জ্য-কর্মীদের নিরাপত্তা সামগ্রী দেওয়ার দাবি

প্রকাশ : 18 Jul 2024
স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে বর্জ্য-কর্মীদের নিরাপত্তা সামগ্রী দেওয়ার দাবি


স্টাফ রিপোটার: রাজধানীর পরিস্কার রাখতে বর্জ্য-কর্মীরা স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। অথচ তাদের সুরক্ষায় আধুনিক উপকরণ ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না। ফলে তারা প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার শিকার হন। যাদের কাজের কারণে নগরের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপত্তা সামগ্রী দিতে হবে।

বুধবার রাজধানীর মিরপুরের মোল্লার বস্তি ও বনানীর কড়াইল বস্তিতে আয়োজিত দুটি পৃথক সভায় এ দাবি জানান বক্তারা। রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাস্তবায়নাধীন ঢাকা কলিং প্রকল্প আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ওয়েস্ট পিক-আপ ইউনিয়নের জেনারেল সেক্রেটারি কুলসুম। কোয়ালিশন ফর দ্য আরবান পুওরের (কাপ) প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হকের সঞ্চালনায় সভায় বক্তৃতা করেন ঢাকা কলিং প্রকল্পের কনসোর্টিয়াম কো-অর্ডিনেটর মো. রকিবুল ইসলাম, বারসিকের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফেরদৌস আহমেদ প্রমুখ।

সভায় বলা হয়, বর্জ্য-কর্মীরা রাস্তা, ডাস্টবিন ও বস্তি থেকে বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে শহর পরিষ্কার রাখেন। এসব ময়লার মধ্যে রয়েছে পেরেক, প্লাস্টিকের  বোতল, পরিত্যক্ত  লোহা ও লোহার টুকরো, ভাঙা বালতি,  কাগজ, বই, ছেঁড়া টায়ার, জুতা, পলিথিন ও বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত নানা দ্রব্যাদি। 

আরো বলা হয়, সংগৃহীত এ সকল বর্জ্য বাছাই করে এর মধ্যে থেকে কিছু বিক্রিযোগ্য দ্রব্য তারা বের করে সামান্য দামে তা বিক্রি করেন। এগুলো থেকে তাদের মাসে দু-তিন হাজার টাকা আসে। বস্তি থেকে ময়লা সংগ্রহ বাবদ তারা প্রতি বাসা থেকে মাসে ৭০ টাকা পান। এ অর্থ থেকে তাদের মাসিক বেতন দেওয়া হয়। ফলে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকে তাদের নজর থাকে না। তাই বর্জ্য-কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে উদ্যোগ নিতে হবে।


সম্পর্কিত খবর

;