ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশের দৈনিক ভোরের ডাকের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে জোরদার করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। এতে সরকার-টু-সরকার এবং দল-টু-দল পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানোর আলোচনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত প্রায় ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ ও ভারতের শাসক দল বিজেপি এবং বিরোধী দল কংগ্রেসের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় ছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে শীতলতা দেখা দেয় বলে দাবি করা হয়।
এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সম্পর্ক আরও জটিল হয় এবং দেড় বছরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ইতিহাসের নিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায় বলে প্রতিবেদনে জনশ্রুতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের অধীনে সম্পর্ক পুনরায় সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনের পর অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়তে থাকে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে উচ্চপর্যায়ের আমন্ত্রণ বিনিময় হয়। দিল্লি সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর বিদেশবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ভারতের নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র সংক্রান্ত শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া বিজেপির আন্তর্জাতিক বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে দলীয় পর্যায়ে সম্পর্ক পুনর্গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে অংশ নেন বিজেপির দুই নেতা বিজয় চৌথালিয়া ও শিশির বাজোরিয়া।
বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা বাংলাদেশে জনগণের রায়কে সম্মান করে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়। অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকেও দুই দেশের জনগণের সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া হিসেবে হুমায়ুন কবির একটি ভারতীয় গণমাধ্যমে বলেন, আলোচনা ছিল গঠনমূলক এবং সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।
তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে বিএনপির উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
সিনিয়র সাংবাদিক অমল সরকার মন্তব্য করে বলেন, রাজনৈতিক যোগাযোগ থাকলেও তা যেন সব দলের সঙ্গেই বজায় থাকে, সেটিই দুই দেশের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবেদনটির তথ্য ও বক্তব্যগুলো দৈনিক ভোরের ডাকের বরাতে প্রকাশিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
স্টাফ রিপোর্টার: আজ রাজধানীর দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এবি মিলনায়তনে জাতীয় নির্বাহী কমিটির (এনইসি) বিশেষ সভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গণভোটের রায়কে বাতিল নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ক ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সরকার পার পাবে না। সংসদে কারো জমিদারি মানবো না, কারো কাছে সংসদ বন্ধকও দ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জুলাইয়ের আন্দোলন ঘিরে করা আশরাফুল হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তিন ...
স্টাফ রিপোর্টার: সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং দেশের অন্যতম প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ...
সব মন্তব্য
No Comments