অ্যানথ্রাক্স: পশু থেকে মানুষে ছড়ানো রোগে জনমনে উদ্বেগ, সতর্কতা জারি

প্রকাশ : 04 Oct 2025
অ্যানথ্রাক্স: পশু থেকে মানুষে ছড়ানো রোগে জনমনে উদ্বেগ, সতর্কতা জারি

রফিকুল ইসলাম সুজন: রংপুরসহ উত্তর অঞ্চলের কয়েকটি জেলায় অ্যানথ্রাক্স রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ৫৮৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। জনমনে উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে , রোগটি পশু থেকে মানুষের দেহে ছড়ায়, এবং সময়মতো চিকিৎসা না পেলে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, রংপুর জেলার পীরগাছা, মিঠাপুকুর ও কাওনিয়া উপজেলায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগই গবাদিপশুর মাংস প্রক্রিয়াজন, জবাই বা সংস্পর্শে জড়িত ছিলেন। আক্রান্তদের মধ্যে কেউ কেউ ত্বকে ফোসকা ও ঘা, কারো জ্বর ও দুর্বলতা অনুবব বরেছেন।


অ্যানথ্রাক্স কী এবং কীভাবে ছড়ায়?

অ্যানথ্রাক্স হলো Bacillus anthracis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণজনিত একটি গুরুতর রোগ, যা সাধারণত গবাদিপশুর মাধ্যমে ছড়ায়। মানুষ আক্রান্ত হয়-

×সংক্রমিত পশুর মাংস, চামড়া বা রক্তের সংস্পর্শে এলে

×অসতর্কভাবে কাঁচা বা আধ-সিদ্ধ মাংস খেলে

×অথবা স্পোর (ভ্রাকটেরিয়ার ঘুমন্ত রূপ) ধূলার মাধ্যমে দেহ প্রবেশ করলে।

এই রোগে সাধারণত তিন রূপে দেখা দেয়-

×ত্বক অ্যানথ্রাক্স-ত্বকে কালো ঘা

×শ্বাসনালী অ্যানথ্রাক্স-ফুসফুসে জটিলতা

×আন্ত্রিক অ্রানথ্রাক্স-পেটবেথা, বমি রক্তমিশ্রিত পায়খানা 


জনসচেতনতা জরুরি

×অসুস্থ পশু জবাই বা বিক্রি থেকে বিরত থাকা

×সন্দেহজনক পশুর মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকা

×চর্মরোগ বা ফােসকা দেখা দিলে তাৎক্ষনিক চিকিৎসা গ্রহণ

×মৃত পশু গভীরভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলা

গবাদিপশুর বিনামূল্যে টিকাদান কার্যক্রমে অংশ নেওয়া

বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রুহুল আমিন ( রংপুর সিভিল সার্জন) জানান, এটি একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। সময়মতো চিকিৎসা ও সচেনতা থাকলে আতংকের কিছু নেই। আমরা মাঠপর্যায় কার করছি।




সম্পর্কিত খবর

;