রিকশা-শ্রমিক সমাবেশে ঢাকা উত্তরের প্রশাসক মো. এজাজের অপসারণ দাবি

প্রকাশ : 22 May 2025
রিকশা-শ্রমিক সমাবেশে ঢাকা উত্তরের প্রশাসক মো. এজাজের অপসারণ দাবি

স্টাফ রিপোর্টার: ব্যাটারিচালিত রিকশা বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর সিটির অবৈধ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক মো. এজাজ সাহেবের সাম্প্রতিক অতিউৎসাহী ভূমিকা সমাজে অমানবিকতা, নৈরাজ্য ও লুটপাট প্রবণতা তৈরি করছে। তিনি একজন ইজারাদার পেশাভুক্ত ব্যক্তি হওয়ায়, এই পদে তার নিয়োগ বেনিফিট অব ডাউট ক্লজ বিবেচনায় নেয়া জরুরি। যা উপেক্ষা করে তার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নৈরাজ্য সৃষ্টি ও লুটপাটের পাঁয়তারাকারী মো. এজাজকে অবিলম্বে সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব থেকে অপসারণ করতে হবে।

২২ মে ২০২৫, বৃহস্পতিবার, সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের ১২ দফা দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ-মিছিল ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা উপদেষ্টা হযরত আলী, কার্যকরী সভাপতি আব্দুল্লাহ ক্বাফি রতন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল  হাকিম মাইজভাণ্ডারি,  যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম নাদিম, সহকারী সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী,  সাংগঠনিক সম্পাদক কফিল উদ্দিন মো. শান্ত, দপ্তর সম্পাদক মো. রিপন, শ্রমিকনেতা আব্দুর রাজ্জাক, জয়নাল আবেদীন জয়, নূর আলম, আশিকুর রহমান রাকিব, বিপুল, শাহীন প্রমুখ।

সমাবেশে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, নিয়োগপ্রাপ্তির পর থেকে মো. এজাজ নানা উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারের ছত্রছায়ায় গরিব-মেহনতি মানুষের জীবিকার ওপর হামলা করে দেশে নৈরাজ্য তৈরির পাঁয়তার করছেন। স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থে গরিবের পেটে লাথি মেরে নৈরাজ্য তৈরির সকল ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াতে হবে।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, লাখ লাখ মানুষকে কর্মহীন করার ‘এক আইডি এক লাইসেন্স নীতি’ পরিত্যাগ করে আনুপাতিক হার পদ্ধতিতে সকলের লাইসেন্স প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে ৩০ দিনের ডাম্পিংয়ের অমানবিক সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, বুয়েট প্রস্তাবিত মডেল সকলের জন্য উন্মুক্ত করে স্থানীয়ভাবে তৈরি করার সুযোগ অবারিত করতে হবে এবং অবিলম্বে বিআরটিএ কর্তৃক লাইসেন্স, রুট পারমিট ও নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ জাতীয় বাজেটে শ্রমিকদের রেশন,  চিকিৎসা, শিক্ষা ও সার্বজনীন পেনশন স্কিমের জন্য বরাদ্দ দাবি করেন।

সমাবেশ শেষে শ্রমিকদের একটি বিক্ষোভ মিছিল পল্টন মোড় হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পৌঁছালে, পুলিশ মিছিল আটকে দেয়। প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ১২ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি গ্রহণ করে।


সম্পর্কিত খবর

;