পাভেল ইসলাম মিমুল রাজশাহী ব্যুরো: চাঞ্চল্যকর দস্যুতা মামলার রহস্য উদঘাটন প্রায় দুই মাস আগে রাজশাহীতে সংঘটিত আলোচিত দস্যুতা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে নগদ অর্থ ও পিস্তলসহ দুই দস্যুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল পাবনা ডেইরি ফার্ম থেকে ২ হাজার লিটার শীতলীকৃত তরল দুধ নিয়ে রাজশাহীর সপুরা সেলস সেন্টারে আসেন একটি পিকআপের চালক ও কর্মচারীরা। দুধ আনলোড শেষে সেন্টার ম্যানেজার ডেইরি ফার্মের হেড অফিসে জমা দেওয়ার জন্য তাদের কাছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ টাকা হস্তান্তর করেন।
পরে দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে বেলপুকুর থানার উত্তর কাজীরপাড়া এলাকায় আমচত্বর-বেলপুকুর মহাসড়কে পৌঁছালে রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলে আসা তিন দুষ্কৃতকারী তাদের পথরোধ করে। এ সময় জানালার গ্লাস ভেঙে চালকের গলায় ধারালো হাসুয়া ধরে এবং আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে নগদ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার দিনই ভুক্তভোগী মাসুদ রানা বাদী হয়ে বেলপুকুর থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন মামলার কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় এটি একটি ‘ক্লুলেস’ মামলায় পরিণত হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনারের নির্দেশনায় উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. মনিরুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. হাফিজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ডিবির একটি বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে দস্যু চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে দস্যুতার মূল পরিকল্পনাকারী মো. আব্দুর রহমান ডাবলু (৩৬) এবং ঘটনায় সরাসরি অংশগ্রহণকারী আবু সাদাত মো. সায়েম ওরফে মিলন (৪৮)-কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় মিলনের কাছ থেকে দস্যুতার কাজে ব্যবহৃত একটি পিস্তল সদৃশ বস্তু ও লুণ্ঠিত টাকার মধ্যে ৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ডাবলুর কাছ থেকে আরও ২৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেফতারকৃত মিলনের বিরুদ্ধে পূর্বে ৯টি এবং ডাবলুর বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে দস্যুতা, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।
ডিবি কর্মকর্তারা জানান, এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন করা হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিবি কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন সম্ভব হয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৪ জন গ্রেফতার হয়েছে। একই সময়ে ৪৭ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানিয়েছে ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন দক্ষিণ দনিয়া এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০টি ককটেল উদ্ধার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।যাত্রাবাড়ী থানা সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল আ ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন সংসদ সদস্যদের আবাসিক ভবন ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের (সংসদ সদস্য ভবন) একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উ ...
সব মন্তব্য
No Comments