শিরীন শারমিন চৌধুরী রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

প্রকাশ : 07 Apr 2026
শিরীন শারমিন চৌধুরী রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার: সাবেক জাতীয় সংসদ স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় তার রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার জামিন আবেদনও নাকচ করা হয়েছে।


রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি মামলায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায়। মামলাটি গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত সহিংসতা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা হয়। তবে শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।


অপরদিকে, আসামিপক্ষ রিমান্ড আবেদন বাতিলসহ জামিনের আবেদন করলে আদালত সেটিও নামঞ্জুর করেন। ফলে রিমান্ড ও জামিন—উভয় আবেদনই খারিজ হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।


মঙ্গলবার বেলা একটার পর ডিবি কার্যালয় থেকে তাকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।


এর আগে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করে ডিবি। রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্ত, গ্রেপ্তার এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের স্বার্থে তাকে রিমান্ডে নেওয়া জরুরি।


সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডে নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।


ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দীর্ঘদিন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল প্রথমবারের মতো স্পিকার নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তীতে একাধিক মেয়াদে দায়িত্ব পালন শেষে ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর তিনি পদত্যাগ করেন।


এদিকে, রংপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন হত্যা মামলায়ও তার নাম রয়েছে। ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট ওই মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, আন্দোলন চলাকালে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে গুলিবর্ষণে মুসলিম উদ্দিন নিহত হন।


উল্লেখ্য, একই মামলায় এর আগে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সম্পর্কিত খবর

;