স্টাফ রিপোর্টার: দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরো শক্তিশালী, সমন্বিত ও কার্যকর করতে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড আগামী জুনের মধ্যেই চালু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের সেবা জোরদারে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগ হিসেবে এ কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন।
আজ ঢাকার বনানীতে একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত জাতীয় ই-হেলথ আইডি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি পর্যালোচনা বিষয়ক দুই দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। কর্মশালাটি যৌথভাবে আয়োজন করে আইসিটি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এসময় প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ই-হেলথ কার্ড চালু হলে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা উপকৃত হবে। একজন রোগী গ্রাম থেকে শহর—যেখানেই চিকিৎসা নিন না কেন, চিকিৎসক এই কার্ডের মাধ্যমে তার স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রদানে আরো কার্যকরভাবে সহায়তা করতে পারবেন। এতে তিনি আরো বলেন, ই-হেলথ আইডি স্বাস্থ্যখাতে একটি মৌলিক পরিচয় কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় একজন ব্যক্তিকে নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং হাসপাতাল, ক্লিনিক ও অন্যান্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য নিরাপদভাবে বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।
প্রতিমন্ত্রী ডিজিটাল হেলথ ইকোসিস্টেমে ইন্টারঅপারেবিলিটি বা আন্তঃকার্যকারিতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা আরো দক্ষ, নির্ভুল ও সহজপ্রাপ্য হবে। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রোগীর তথ্য ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর হবে, তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ সহজ হবে এবং সরকারি ও বেসরকারি—উভয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সেবার মান ও সমন্বয় আরো জোরদার হবে।
কর্মশালায় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ইএমআর ব্যবহারের বর্তমান অবস্থা, এসএইচআর-এর স্থাপত্য, এপিআই মানদণ্ড, আন্তঃকার্যকারিতা কাঠামো, গোপনীয়তা ও সম্মতি ব্যবস্থাপনা এবং বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সংযুক্তির প্রস্তুতি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। একইসঙ্গে প্রযুক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও গভর্ন্যান্সের ঘাটতি চিহ্নিত করে জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য একটি কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী। এছাড়া, এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক মোহা. আব্দুর রফিক, চিফ টেকনোলজি অ্যাডভাইজার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহা আবু এমায়ের এবং এডিবির সিনিয়র হেলথ স্পেশালিস্ট রুই লিওসহ সরকারের জ্যেষ্ঠ নীতিনির্ধারক, স্বাস্থ্যখাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশ নেন।
স্টাফ রিপোর্টার: দেশজুড়ে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে সন্দেহজনক হাম হিসেবে এবং ১ জনের ম ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী রবিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১২৮২। এসময় ১৮০ জন নিশ্চিত হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশে হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রথম ধাপে ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে এ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।
< ...
ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৮৭। এসময় ৬০ জন নিশ্চিত হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ...
সব মন্তব্য
No Comments