নতুন বাংলাদেশের সূচনা: প্রধান উপদেষ্টা
স্টাফ রিপোর্টার: 'জুলাই জাতীয় সনদ' স্বাক্ষরিত হয়েছে। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টার পরে এই সনদে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা এক যোগে স্বাক্ষর করেছেন।
এরআগে অনুষ্ঠানে যোগদেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। যোগদেন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। ঐক্যমত্য কমিশনের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরের আগস্টে অন্তর্বতী সরকার দ্বায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। প্রথম ধাপে ৬টি কমিশন গঠন করা হয়। গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে পর্যন্ত এসব আলোচনায় ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐক্যমত্য হয়। এই প্রস্তাব নিয়ে জুলাই সনদের খসড়া তৈরী করে ঐক্যমত্য কমিশন।
আলোচনায় অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলের মতামত পর্যালোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ লিখিত আকারে চূড়ান্ত করে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন। গত মঙ্গলবার সনদের চূড়ান্ত কপি রাজনৈতিক দলগুলোকে সরবরাহ করা হয়।
যার প্রেক্ষিতে আজ স্বাক্ষরিত হয় জুলাই জাতীয় সনদ।
রাষ্ট্রীয় সংস্কার, সুশাসন ও রাজনৈতিক ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তৈরী এই সনদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি ও সংস্কারধার।
সনদে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী জাতীয় নির্বাচনের পর গঠিত সরকার দুই বছরের মধ্যে এসব সংস্কার বাস্তবায়নের রূপরেখা অনুসারে কাজ করবে। এজন্য একটি 'বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ কমিটি'গঠনের প্রস্তাবও চূড়ান্ত হয়েছে।
ঘোষণাপত্র ও সনদের পার্থক্য
বৈঠকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয় যে, 'জুলাই ঘোষণাপত্র' হলো রাজনীতিক দলগুলোর নীতিগত অঙ্গীকার, আর 'জুলাই জাতীয় সনদ' অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ও কাঠামো।
ঘোষণাকে বলা হচ্ছে "অঙ্গীকারের দলিল" আর সনদকে "বাস্তবায়নের মানচিত্র"।
এদিকে এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে দুপুরে সংসদ এলাকায় উত্তেজনা তৈরী হয়। জুলাই অভ্যূত্থানে আহতরা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং জুলাই আহতদের বীর হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানসহ তিন দফা দাবিতে অনুষ্ঠান স্থলে অবস্থান নেয় জুলাই যোদ্ধারা।
বেলা ১টার দিকে পুলিশ জুলাই যোদ্ধাদের অনুষ্ঠানস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্ট ধাওয়া। পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী জুলাই যোদ্ধাদের সংসদ এলাকা থেকে বের করে দিয়েছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিক্ষুদ্ধরা সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেট ভেঙ্গে ফেলেছে।তারা বাইরে বাস ও ট্রাকসহ কয়েকটি পরিবহন ভাংচুর করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
ভাংচুর করা গাড়ির মধ্যে পুলিশের দুটি গাড়িও রয়েছে। বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে।
পুলিশপরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে।
স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ দুর্বল হয়ে এখন সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আরেকটি লঘুচাপ অ ...
স্টাফ রিপোর্টার: সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ও থ্রি-হুইলার চলাচলে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। একই সঙ্গে জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং প্রধান বাস রুটে ধীরগতির ...
স্টাফ রিপোর্টার: পাওয়ার স্টার্টআপ বা বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন পেয়েছে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃ ...
স্টাফ রিপোর্টার: দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমা ...
সব মন্তব্য
No Comments