সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত, আহত ১৫

প্রকাশ : 07 Nov 2026
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত, আহত ১৫

বিশেষ প্রতিনিধি, জেদ্দা: সৌদি আরবের জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৫ বাংলাদেশি। শনিবার (৭ নভেম্বর) ভোররাতে মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে মহাসড়কে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কর্মকর্তারা দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 


প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, নিহত বাংলাদেশিরা মদিনা থেকে একটি গাড়িতে করে জেদ্দার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে বাংলাদেশিদের বহনকারী একটি বাসকে পেছন থেকে একটি ট্রাক ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মদিনা থেকে আসার পথে গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে দুর্ঘটনা ঘটে এবং সাতজনই ঘটনাস্থলে মারা যান। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ সম্পর্কে কনস্যুলেট এখনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিস্তারিত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে। 


নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁরা সবাই কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা এবং আল আবীর কোল্ড স্টোর ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ওই কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে, কোম্পানির ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রী এবং মক্কায় কর্মরত স্টোরকিপার আলমশাহ ও তাঁর এক মাস বয়সী কন্যা। প্রথম আলোর প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, নিহত সাতজন বাংলাদেশের একাধিক পরিবারের সদস্য এবং তাঁদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। 


দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। আহত ১৫ জনকেও একই হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে প্রথম আলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। 


জেদ্দা থেকে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শনিবার দুপুরে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জেদ্দা থেকে সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শহর জিজানে যাওয়ার সড়কে হতাহতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট থেকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। কনস্যুলেট জানিয়েছে, আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব মরদেহ দেশে পাঠিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তরে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। 


সম্পর্কিত খবর

;