ডেস্ক রিপোর্ট: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের ‘কার্যক্রমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা’ বাতিল বা প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
রোববার (৬ নভেম্বর) ঢাকার ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক কাজী মুশফিক মাহবুব রবিনের আদালতে এ আবেদন করেন, জিএম কাদেরের আইনজীবী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ও কলিমুল্লাহ মজুমদার। শুনানি শেষে আদালত পরে আদেশ দিবেন বলে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জিএম কাদেরের আইনজীবী কলিমুল্লাহ মজুমদার বলেন, অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধার করা মামলায় আদালত জাপার চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের দলীয় কার্যক্রমে যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছিলেন তা প্রত্যাহার বা বাতিল এর জন্য আমরা আবেদন করেছি। বিচারক ছুটিতে থাকায় দ্বিতীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে আমরা শুনানি করেছি।
এর আগে, গত ৪ অক্টোবর জাপার বহিস্কৃত নেতা জিয়াউল হক মৃধা জিএম কাদেরকে জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে অবৈধ ঘোষণার ডিক্রি চেয়ে আদালতে মামলা করেন। আদালত আসামির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। তবে জিএম কাদের আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ৩০ অক্টোবর পার্টির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কার্যক্রম চালানোর ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন বলে জানান আইনজীবী কলিমুল্লাহ মজুমদার।
এছাড়া একই অভিযোগে জাপার সাবেক মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা গত ২৩ অক্টোবর জিএম কাদেরকে চেয়ারম্যান হিসেবে বেআইনি ঘোষণার ডিক্রি চেয়ে আরেকটি মামলা করেন। ওই দুই মামলায় জিয়াউল হক ও মসিউর রহমান দুজনেই দাবি করেন, ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই জাপার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর ছয় মাস আগে ১ জানুয়ারি জি এম কাদের তার বড় ভাই এরশাদকে ভুল বুঝিয়ে ‘জাতীয় পার্টির জন্য ভবিষ্যৎ নির্দেশনা’ শিরোনামে একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করান। এরপর জি এম কাদের প্রথমে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, পরে চেয়ারম্যান হন, যা ছিল গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী।
এ নিয়ে দলের ভেতরে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে এরশাদ ২০১৯ সালের ২২ মার্চ জিএম কাদেরকে কো- চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি দেন। ৪ মে পুনরায় তাকে জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়। তখন এরশাদ গুরুতর অসুস্থ থাকায় তিনি স্বাভাবিক বিবেচনা প্রয়োগে সক্ষম ছিলেন না বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। এরশাদের মৃত্যুর পর ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা দেন জিএম কাদের।
দলের গঠনতন্ত্রে এভাবে চেয়ারম্যান ঘোষণার কোনো বিধান নেই।মামলায় মসিউর রহমান দাবি করেন, জি এম কাদের নিজেকে জাপার চেয়ারম্যান দাবি করে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সম্মেলন ডাকেন। এর আগে এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ১৯ ডিসেম্বর হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন হয়।
রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে জি এম কাদেরকে চেয়ারম্যান ঘোষণা কেন বেআইনি হবে না, মর্মে রুল দেন হাইকোর্ট। এটি বিচারাধীন অবস্থায় দলের কাউন্সিল করেন জি এম কাদের। সম্মেলনে দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ উপস্থিত ছিলেন না।
আমাদের সময়.কম
স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে রোগীদের সুরক্ষার জন্যও ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ১৮ মে সোমবার মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মাননীয় সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসকে দেখতে গেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাব ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি আজ ১৭ মে ২০২৬ রবিবার এক বিবৃতিতে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হবার আশংকা প্রকাশ করেছে। জাসদের বিবৃতিতে ...
ডেস্ক রিপোর্ট: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক কমিটির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব হয়েছেন সাদিয়া ফারজানা দিনা। সর্দার আমিরুল ইসলাম সাগরকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় সদস্য সচিব পদ থেকে ব ...
সব মন্তব্য
No Comments