সাবেক আইনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তার নির্বাচনী এলাকার ১৭ জনকে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশ : 30 Nov 2024
সাবেক আইনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে  তার নির্বাচনী এলাকার ১৭ জনকে হত্যার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষমতায় থাকাকালে তার নির্বাচনী এলাকার ১৭ জনকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।  শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার তিনলাখ পীর এলাকায় আয়োজিত উপজেলা ও পৌর বিএনপি'র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলা হয়। সম্মেলনের স্বাগতবক্তা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক জিয়ার ঘনিষ্টজন ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. কবির আহমেদ ভূঁইয়া এ অভিযোগ তুলেন। তিনি বলেন, আইনমন্ত্রীর আমলে আমাদের নেতাকর্মীদের উপর জেল খাটিয়েছে। জুলুম, অত্যাচার করেছে। দেশ তার কব্জায় ছিলো। পুলিশ বাহিনী, সাঙ্গপাঙ্গ দিয়ে সম্মেলন বানচাল করায়। আমাদের দুর্ভাগ্য তিনি আমাদের এলাকার সন্তান। তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা তার নেতা-কর্মীদেরকে আগুনে ফেলে পালিয়েছে। তার দোসররা এখন বিএনপিতে আসতে চায়। আমরা তাদেরকে আনবো না। যে নিয়ে আসতে চাইবে তাকেও ক্ষমা করবো না।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কসবা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. অ্যাডভোকেট মো. ফখরুদ্দিন আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। প্রধান বক্তা ছিলেন কুমিল্লা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট এম. এ. মান্নান, সদস্য সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নূরে আলম সিদ্দিকী, বেলাল উদ্দিন সরকার তুহিন, শরীফুল ইসলাম স্বপন, ইকলিল আজম, আসাদুজ্জামান শাহীন কামাল উদ্দিন, শাহীনূর রহমান, সমীর চক্রবর্তী, এডভোকেট ইসমত আরা সুলতানা, শামীমা বাছির স্মৃতি প্রমুখ। মো¯Íাক মিয়া তার বক্তব্যে বলেন, সাবেক আইনমন্ত্রী দেশটাকে কলংকিত করেছে। ওনি রায় লিখে দিতেন বিচারক রায় পড়তেন। কসবায় এসে ওনার লোকজনের হামলায় শিকার হয়েছি। এখন তারা যেন কোনোভাবেই আমাদের সঙ্গে ভিড়তে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রধান অতিথি সেলিম ভূঁইয়া বলেন, আইনমন্ত্রী ছিলেন বেআইনী মন্ত্রী। কারণ ওনার সরকারই ছিলো অবৈধ সরকার। আর ওনি তো ছিলেন এভনরমাল লোক। তাই ওনাকে নিয়ে আমার বলার কিছু নাই।

তিনি বলেন, বেআইনী মন্ত্রী দরবেশকে (সালমান এফ রহমান) ধরিয়ে দিয়েছিলেন। দাঁড়ি গোঁফ কাটায় দরবেশকে পুলিশ চিনতে পারে নাই। এক নৌকাতে থাকা বেআইনী মন্ত্রী তাকে দেখিয়ে দেন। কি বন্ধুত্বের নিদর্শন এটা।

তিনি বলেন, এই সরকারের রাজনৈতিক দল নাই। তাই আমরা তারেক রহমানের নির্দেশে সরকারকে সহযোগিতা করছি। ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন দিন। কারণ পরিবেশ আছে। আওয়ামীলীগ নাই পালিয়ে গেছে। আমরা আপনাদেরে সহযোগিতা করছি এ সুযোগ নিয়ে যদি মনে করেন নরম গদিতে আরামে আছেন তাহলে গদি শক্ত হতে সময় লাগবে না।

সম্পর্কিত খবর

;