বাংলাদেশে পর্যটন শিল্প খুবই সম্ভাবনাময়: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশ : 26 Sep 2024
বাংলাদেশে পর্যটন শিল্প খুবই সম্ভাবনাময়: রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক রিপোর্ট : রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আগামীকাল ২৭ সেপ্টেম্বর‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:

“বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৪’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। 

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা খাতগুলোর মধ্যে ‘পর্যটন’ অন্যতম। পর্যটন শিল্প একটি দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সম্পদ সংরক্ষণ, দারিদ্র্যবিমোচন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে শক্তিশালী নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। পর্যটন শিল্প স্থানীয় জনগণ ও পর্যটকদের মধ্যে পারস্পরিক সংস্কৃতি, ভাব ও মতাদর্শ বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়ন ও শান্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যটন বৈদেশিক কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে এবং অর্থনৈতিক মন্দা, নিরাপত্তাহীনতা এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ সমাধানেও একটি শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া, দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে শক্তিশালী ও সৌহার্দপূর্ণ করার পাশাপাশি পর্যটন শিল্প বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এ প্রেক্ষিতে বিশ্ব পর্যটন দিবসের এবছরের প্রতিপাদ্য-‘Tourism and Peace’ (পর্যটন শান্তির সোপান) সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। 

অফুরন্ত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত বাংলাদেশে পর্যটন শিল্প খুবই সম্ভাবনাময়। পরিবেশের ভারসাম্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে পর্যটনসমৃদ্ধ দেশসমূহের সাথে যৌথ বিপণন কর্মসূচি, পরিচিতি ভ্রমণ, সাংস্কৃতিক সার্কিট স্থাপন, আন্তঃসীমান্ত পর্যটন এবং আঞ্চলিক পর্যটন উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও বিনিময়, পর্যটন তথ্য আদানপ্রদান, পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ, পর্যটন উন্নয়ন ও বিকাশে কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা, ভিসা সহজীকরণ এবং ব্যবসায়ীবিনিয়োগকারীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম শান্তিপূর্ণ ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমি সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকর অবদান রাখার আহ্বান জানাই। 

আমি ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৪’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করি। 

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

সম্পর্কিত খবর

;