ডেস্ক রিপোর্ট: উচ্ছেদকৃত বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের দাবিতে ধলপুর সিটি পল্লী পুনর্বাসন ও সুরক্ষা কমিটির উদ্যোগে আজ ১২ অক্টোবর ২০২৩, বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টায় ধলপুর সিটি পল্লীতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে বস্তিবাসীরা নগর ভবন অভিমুখে যাত্রা করলে পুলিশ মিছিলটি আটকে দিয়ে বস্তিবাসীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নগর ভবনে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়রকে স্মারকলিপি প্রদানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
ধলপুর সিটিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আলী হোসেন পলাশ। স্মারকলিপি পাঠ করেন সংগঠনের উপদেষ্টা শ্রমিকনেতা সেকেন্দার হায়াৎ, অন্যান্যের মধ্যে .বক্তব্য রাখেন- সাধারণ সম্পাদক রাসিদা বেগম, সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ খোকন, সুমি বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ বাবু, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ জাবেদ প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন গত ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ধলপুর সিটি পল্লী থেকে বস্তিবাসীদের বিনা নোটিশে অবৈধভাবে উচ্ছেদ করে বুলডোজার দিয়ে বাড়ি-ঘর, স্থাপনা ভেঙে বস্তির জায়গা দখল করে নেয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন তাদেরকে এই বলে আশ্বস্ত করে যে, আগামী ২ মাসের মধ্যে তাদেরকে পুনর্বাসন বা গৃহ প্রদান করবে। কিন্তু ৮ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও ধলপুর সিটি পল্লীর বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন বা গৃহ প্রদান করা হয়নি। এই অবস্থায় বস্তিবাসীদের জীবন ধারণের পথ অনিশ্চয়তার দিকে চলে যাচ্ছে। বস্তিবাসীরা বেকারে পরিণত হয়েছে। তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অর্ধহারে-অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের ছেলে-মেয়েদের লেখা-পড়া বন্ধ হয়ে গেছে। কেউ কেউ পেটের তাগিদে বিপথে চলে যেতে পারে। এতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটবে। একদিকে গৃহহীন-কর্মহীন এই মানুষগুলো পরিবার-পরিজন নিয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে, অন্যদিকে ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি, বাড়িভাড়া বকেয়া পড়েছে। ফলে তাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গিয়েছে। এই দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মানুষগুলো নিরূপায় হয়ে প্রতিরোধ সংগ্রামে নেমেছে। প্রতিদিন বিক্ষোভ-সমাবেশ, রাজনৈতিক বা স্থানীয় নেতাদের বাড়ি এবং অফিসের ধর্নাসহ নানা ধরনের কর্মকা- পরিচালনা করছে জীবনের তাগিদে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৯০ সালে রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ ৩টি রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে ধলপুর পল্লী সিটি বস্তিবাসীদের জন্য বরাদ্দ দেন। পরবর্তীতে ২৩০ পরিবারকে চুক্তির মাধ্যমে ধলপুর পল্লী সিটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। ৩৪ বছর ধরে এই পল্লী সিটিতে বস্তিবাসীরা তাদের সারা জীবনের অর্থ, শ্রম, মেধা ইনভেস্ট করেছে। দীর্ঘ সময় অতিক্রম হলেও বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন করা হয়নি। উপরন্তু একটি স্বার্থানেষি মহল তাদের ভয়ভীতি-হুমকি দিয়ে এলাকা থেকে চলে যেতে বাধ্য করছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আমরা ধলপুর পল্লী সিটি ছাড়ব না। জীবন দিয়ে হলেও আমরা আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করব। ধলপুর পল্লী সিটির ২৩০ পরিবার যাতে দু মুঠো খেয়ে বাঁচতে পারে, মাথার উপরে ছাদ থাকে তার জন্য মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদেরকে পুনর্বাসন বা গৃহ বরাদ্দ দিতে হবে।
রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি: প্রায় দুই বছর পরে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ...
মো. রফিকুল ইসলাম সোহাগ, সুনামগঞ্জ: বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের বাবা, মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশের টং দোকানে কাজ করার সময় ...
বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: "উন্নত জীবন এবং যত্নশীল সমাজ"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত বিভিন্ন কর্মসূচির চেক ও মালামাল বিতরণ অনুষ্ঠ ...
চট্টগ্রাম অফিস: অব্যাহত ভারী বর্ষণে বান্দরবান পার্বত্য জেলাজুড়ে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঝুঁকি সৃষ্টি হওয়ায় জননিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ১০ জুলাই শুক্রবার পর্যন্ত জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে ...
সব মন্তব্য
No Comments