ধোপাজান নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলনের অনুমতি বাতিলের দাবি

প্রকাশ : 06 Nov 2025
ধোপাজান নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলনের অনুমতি বাতিলের দাবি

সাইফুল আলম ছদরুল, সুনামগঞ্জ : জেলার ধোপাজান নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলনের অনুমতি বাতিলের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় স্থানীয় আলফাত উদ্দিন চত্বরে ( ট্রাফিক পয়েন্ট)  লিমপিড ইন্জিনিয়ারিং নামক প্রতিষ্ঠান কতৃক ড্রেজার বোমার তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ব্যানারে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভি পি৷ জনাব শামসুল আলম সমসু মিয়া, গোলাম হোসেন অভি, দিলরব,প্রমূখ। বক্তারা বলেন

সুনামগঞ্জ জেলার ধোপাজান-চলতী নদীর বালু লুট উৎসব থামানোর যেন কেউ নেই। প্রত্যেকদিন সরকারি কাজের টোকেনে ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে তোলা হচ্ছে ভিটবালুর বদলে সিলিকা বালু। রাতের দৃশ্য আরও ভয়ঙ্কর। ধোপাজান বালু মহাল থেকেই তোলা হচ্ছে উন্নতমানের সিলিকা বালু। দিনে প্রকাশ্যে ড্রেজার দিয়ে তুলা হয় সিলিকা  এতে ধোপাজান চলতি নদীর তীরবর্তী লোকজন বসতভিটা হারিয়ে উদ্ধান্তু হওয়ার শঙ্কায আছি। রাতের চিত্র ভয়ংকর। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি দেয়া হয়।  বিআইডব্লিউটি’র অনুমতি চুক্তি ভেঙে টোকেনের বিনিময়ে খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন এসব বালু বিক্রয় করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লিমপিড ইঞ্জিয়ারিং।  যে টোকেন দিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যাওয়ার কথা বালু। সেই টোকেন দিয়ে  বালু বিক্রি হচ্ছে স্থানীয় 

ব্যবসায়ীদের কাছে। টোকেন দিয়ে আনা বালু কিনছেন ব্যবসায়ীরা। এতে লাভবান হচ্ছে সরকারি প্রকল্পের কাজে বালু তোলার অনুমতি নেয়া লিমপিড ইঞ্জিনিয়ারিং। লুট হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ, রাজস্ব হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সরকার।

অতুলনীয় ক্ষতি হচ্ছে নদীতীরবর্তী সাধারণ মানুষের। সরকারের নিকট প্রতিকার চেয়ে আমাদের মানব বন্ধন। 

 বক্তারা আরও বলেন এই বালু মহালের কোন ইজারা না থাকলেও প্রতি ফুটে ২০ টাকা হারে রয়েলটি আদায় করছে লিমপিড ইঞ্জিনিয়ারিং। রয়েলটি আদায় করে কোম্পানির পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে টোকেন। এই টোকেন দেখালেই ছেড়ে দেয় পুলিশ। 

মাঝে মধ্যে পরে  কিছু নৌকা আটক করে নিয়ে যায় নৌ পুলিশ। আমাদের ফসলি জমি রক্ষা এবং এলাকার ঘর বাড়ি রাস্তা ঘাট রক্ষায় বেআইনি আদেশ অবিলম্বে বাতিল ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবি জানান বক্তৃতারা। 

সম্পর্কিত খবর

;