ডেস্ক রিপোর্টঃ ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসি নারী কমিটির উদ্দোগ্যে আন্তজাতিক নারী নিযাতন প্রতিরোধ পক্ষ-২০২২ উপলক্ষ্যে কমক্ষেত্র এবং সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতা ও হয়রানী বন্ধে আইন প্রণয়ন এবং আইএলও কনভেনশন-১৯০ অনুস্বাক্ষরের দাবীতে আজ ২৬ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টায় ঢাকা রিপোটাস ইউনিটি (ডিআরইউ) তে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসি নারী কমিটির সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসি নারী কমিটির সাধারন সম্পাদক সালমা আক্তার। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসি সভাপতি মীর আবুল কালাম আজাদ, নারী বিষয়ক সম্পাদক চায়না রহমান, অথ বিষয়ক সম্পাদক জনাবা তাহমিনা রহমান,
ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসি কেন্দ্রীয় নেতা কুতুব উদ্দিন আহম্মেদ, রুহুল আমিন এবং নুরুল ইসলাম।
ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসি নারী কমিটির সহ সভাপতি শেহেলী আফরোজ লাভলী, জাকিয়া সুলতানা, সীমা
আক্তার,রেবেকা আক্তার, যুগ্ম সম্পাদক আফরোজা রহমান, নাসিমা আক্তার, মানসুরা আক্তার সুমি, সাংগঠনিক সম্পাদক
কুয়াশা হক, অথ বিষয়ক সম্পাদক মে․মনি, দপ্তর সম্পাদক ইয়াসমিন আক্তার, প্রচার সম্পাদক লতিফা আক্তার, শিক্ষা
সম্পাদক আকলিমা আক্তার আখি, সদস্য হাসিনা আক্তার হাসি, শামিমা আক্তার, সুবনা ইসলাম, শামিমা আক্তার কারিমাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
প্রিয় সাংবাদিকগন,আপনারা অবগত আছেন, বিশ্বে, বিশেষ করে কাজের জগতে, সহিংসতা এবং হয়রানি খুবই সাধারণ
ঘটনা। বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাই এই অর্ধেক জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের
উন্নয়ন কল্পনা করা যায় না। বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নের মহাসড়কে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা
অর্জনে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় যে বিভিন্ন সেক্টরে, বিশেষ করে ক্সতরী
পোশাক খাতে, শ্রমিকরা প্রতিদিনই শারীরিক, মানসিক, অর্থ‣নতিক ও যে․ন হয়রানির শিকার হচ্ছেন এমন অভিযোগ
রয়েছে। ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসি এর নারী নেতৃবৃন্দ বিশ্বাস করেন যে, এই হয়রানি ও সহিংসতার আবসান
হওয়া উচিত। সেই লক্ষ্যে আমরা কর্মস্থলসহ সর্বত্র নারীর প্রতি হয়রানি, সহিংসতা ও যেন নিপীড়ন প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে
বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি।
আপর্না অবগত আছেন যে, নানা কর্মসূচীর মাধ্যমে ২৫শে নভেম্বর থেকে আগামী ১০ই ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস
পর্যন্ত ১৬ দিনের আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ পালিত হচ্ছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘‘সবার মাঝে ঐক্য
গড়ি; নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করি”। বাংলাদেশের নারী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এ উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি
নিয়েছে। ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসি এর নারী নেতৃবৃন্দ আজ দিবসটি উপলক্ষে একটি সংবাদ সম্মেলন
আয়োজন করেছেন।
স্টাফ রিপোর্টার: সকাল থেকেই টানা বৃষ্টিতে ভিজছে রাজধানী ঢাকা। ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে শুরু হওয়া এই বর্ষণে তীব্র গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও জনজীবনে নেমে এসেছে ভোগান্তি। সড়কে যানবাহনের গতি কমে গেছে, ...
ডেস্ক রিপোর্ট: পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে বৈশ্বিক অঙ্গীকার নবায়ন এবং সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক অ ...
স্টাফ রিপোর্টার: সংসদে সম্প্রতি পাস হওয়া ডিজিটাল আইনগুলো মানুষের মত প্রকাশ ও ব্যক্তি-গোপনীয়তার জন্য এখনো ঝুঁকিপূর্ণ এবং অধিকার রক্ষায় প্রতিটি আইনই পুনরায় পর্যালোচনা করা দরকার। ডিজিটাল রাইটস এশ ...
বিশেষ প্রতিনিধি: সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন ও নিপীড়নের প্রতিবাদে ‘নিপীড়ন বিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট’ নামে নতুন একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। গতকাল সোমবার রাত আটটায় রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সাংবাদিকদে ...
সব মন্তব্য
No Comments