মাইলস্টোন ঘটনায় সরকারের আচরণে শুধু তাদের অযোগ্যতাই নয়, চরম নির্মমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে: জাসদ

প্রকাশ : 26 Jul 2025
মাইলস্টোন ঘটনায় সরকারের আচরণে শুধু তাদের অযোগ্যতাই নয়, চরম নির্মমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে: জাসদ


স্টাফ রিপোর্টার: মাইলস্টোন স্কুলের উপর যুদ্ধবিমান বিধ্বংসে অনেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, পাইলট নিহত—আহত হবার হৃদয়বিদারক  ঘটনায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজ ২৬ জুলাই ২০২৫ শনিবার বিকাল ৪টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে শোকসভা এবং নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ—সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে ও দফতর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ শোকসভায় বক্তব্য রাখেন জাসদের যুগ্ম—সাধারণ সম্পাদক শওকত রায়হান, যুগ্ম—সাধারণ সম্পাদক মোহম্মদ মোহসীন, যুগ্ম—সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চুন্নু, জাতীয় শ্রমিক জোট সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা সাইফুজ্জামান বাদশা, জাসদের কোষাধ্যক্ষ মো: মনির হোসেন, জাসদের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সহ—সম্পাদক আলী হোসেন তরুন, সদস্য কাজী সাইমুল হক, জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির সরদার, শ্রমিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক কনক বর্মন, জাতীয় যুব জোটের সহ—সভাপতি শুভংকর দেব বাপ্পা, ছাত্রলীগের (বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র) সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব শামীম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র) সভাপতি রাশিদুল হক ননী প্রমূখ।


সভায় বক্তারা বলেন, মাইলস্টোন স্কুলে এতগুলি শিশু ও শিক্ষকের করুণ মৃত্যুর হৃদয়বিদারক ঘটনা ইতিহাসে একটি জাতীয় ট্রাজেডি হিসাবে চিহ্নত হয়ে থাকবে। বক্তারা নিহত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, পাইলটের পরিবারে প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। বক্তারা বলেন, এতবড় ঘটনার পর সরকারের আচরণে শুধু তাদের অযোগ্যতাই নয়, চরম নির্মমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। সরকার এতবড় হৃদয়বিদারক ঘটনার পর ঘটনা ধামাচাপা দেয়া ও ক্ষমতা চিরস্থায়ী করা নিয়ে রাজনীতিতে ব্যস্ত ছিলো। ঘটনার পর বড় বড় কিছু রাজনৈতিক নেতার লোক দেখানো কাজকারবার সমগ্র জাতিকে ক্ষুব্ধ করেছে। বক্তারা বলেন, যুদ্ধ বিমান বিধ্বংস হবার কারণ এখনো উদঘাটন না করে  ধামাচাপা দেয়ার  ঘটনায় এই যুদ্ধ বিমান বিধ্বংস হবার ঘটনা আসলে একটি দুর্ঘটনা, নাকি পদ্ধতিগত হত্যাকান্ড তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বক্তারা বলেন, এ ঘটনার পর বিধ্বস্ত বিমানের ব্লাকবক্স উদ্ধার না হওয়া নিয়ে সরকারের বক্তব্য একটি মিথ্যাচার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা বলেন, এই ঘটনার পর উদ্ধার ও চিকিৎসা কাজে সরকারের অযোগ্যতা, অক্ষমতা এবং প্রস্তুতিহীনতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। বক্তারা নিহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করার পাশাপাশি নিজের জীবন বিপন্ন করে শিশুদের উদ্ধার করতে গিয়ে নিহত শিক্ষিকা মেহেরিন চৌধুরি ও  মাসুকা বেগমকে মানবিকতা ও বীরত্ব প্রদর্শনের প্রতীক হিসাবে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মানে ভূষিত করার দাবি জানান।


সম্পর্কিত খবর

;