মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট দীর্ঘদিনের। এই সংকট মোকাবিলায় সহজ ও সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে ডেনমার্ক সরকারের মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সের অর্থায়নে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পদ্ধতি বাস্তবায়নে কাজ করছে ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচি। এই কর্মসূচির আওতায় বৃষ্টির জল সংগ্রহের মাধ্যমে নিরাপদ পানীয় জলের নিরাপত্তা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক। ১৯ মে শুক্রবার সকাল ১১টায় মোংলার মালগাজী ব্র্যাক অফিসে উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক সুবিধাভোগিদের মাঝে প্রয়োজনীয় মালামালসহ পানির ট্যাংকি বিতরণ করে সংস্থাটি।
জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচি ব্র্যাকের মোংলা শাখার প্রোজেক্ট ম্যানেজার মোঃ সফিকুর রহমান স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধাান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরবির্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগমের হাবিবুন নাহার এমপি। উপমন্ত্রী ব্র্যাকের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ও সাফল্য কামনা করে বলেন, ব্র্যাক জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি হচ্ছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, ব্র্যাক মোংলা শাখার এরিয়া ম্যানেজার তৃপ্তী সরদার, এরিয়া ম্যানেজার মোঃ শাহবুদ্দিন, মনিটরিং এন্ড ইভালুয়েশন অফিসার কাজী মেহেদী হাসান, ফিল্ড ইন্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম, সাহানা বেগম, অসেশ চাকমা প্রমূখ। জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচি ব্র্যাকের মোংলা শাখার প্রোজেক্ট ম্যানেজার মোঃ সফিকুর রহমান স্বপন এসময় জানান, মোংলা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নেই বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পদ্ধতি স্থাপনের মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জন্য সারাবছর নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা ও স্বল্প দূরত্বে নিরাপদ খাবার পানির উৎস তৈরির মাধ্যমে মোংলা উপজেলার জলবায়ু প্রভাবজনিত কারণে নিরাপদ পানিবঞ্চিত মানুষদের জীবনমান উন্নত করাই হলো প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য। এই ছয়টি ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডের মানুষের জন্য নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করে যাচ্ছেন তারা। উল্লেখ্য, ব্র্যাক ২০১৯ সাল থেকে মোংলা উপজেলার জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জন্য কাজ করে আসছে। ২০১৯ সালে ব্রাক কমিউনিটি পর্যায়ে পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্ট স্থাপন কর। ২০২০ ও ২০২১ সালে খানা বা পরিবার পর্যায়ে ১২৭৫ টি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পদ্ধতি স্থাপন করে। ২০২২ সালে খানা বা পরিবার পর্যায়ে ১২০০টি পাবলকি বিল্ডিং বা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ৫ টি এবং স্বাস্থ্য কে›ন্দ্র পর্যায়ে ১টি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পদ্ধতি স্থাপন করে। চলতি বছর ২০২৩ সালে খানা বা পরিবার পর্যায়ে ৩০০০ টি, পাবলিক বা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ১৫ টি এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্র পর্যায়ে ৫টি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং ২ টি কমিউনিটি পর্যায়ে ভূ-উপরভাগের পানি পরিশোধনের টার্গেট রয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট: গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকা ...
সুমন আদিত্য, জামালপুর প্রতিনিধিঃ জামালপুর পৌরসভার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল গেইটপাড় ও ফিসারীপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা তীব্র জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব ...
চট্টগ্রাম অফিস: কয়েক দিনের টানা অতিবৃষ্টিতে বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে জেলা শহরের সঙ্গে রোয়াংছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড় ...
রাহাদ সুমন, বরিশাল ব্যুরো: বরিশালের গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র হারিছুর রহমান জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন।বুধবার (৮ জুলাই) প্রায় ২১ মাস পর তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কা ...
সব মন্তব্য
No Comments