গার্ডিয়ান কমিটির সতর্কতায় বিতরণের আগেই পচা ডিম শনাক্ত, প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রুত ব্যবস্থা

প্রকাশ : 03 Jul 2026
গার্ডিয়ান কমিটির সতর্কতায় বিতরণের আগেই পচা ডিম শনাক্ত, প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রুত ব্যবস্থা

ডেস্ক রিপোর্ট: মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বাশঁবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে বিতরণের আগেই গার্ডিয়ান কমিটির তৎপরতায় নিম্নমানের ডিম শনাক্ত করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের নির্দেশে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে নিরাপদ খাবার বিতরণ নিশ্চিত করা হয়।


গত ১ জুলাই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহকৃত ১৩৩টি ডিমের মধ্যে ২০টি নিম্নমানের অবস্থায় পাওয়া যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে গার্ডিয়ান কমিটি খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুশীলনের নজরে আনে। এরপর এক ঘণ্টার মধ্যেই ত্রুটিপূর্ণ ডিমগুলো অপসারণ করে নতুন ও মানসম্মত ডিম সরবরাহ করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে নিরাপদ খাবার বিতরণ করা হয়।


স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে নিম্নমানের খাদ্য বিতরণের অভিযোগ প্রকাশের পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা শিক্ষা অফিস দ্রুত ঘটনাস্থলে তদন্ত পরিচালনা করে।


এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে মান নিয়ন্ত্রণে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।


প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গার্ডিয়ান কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যই ছিল শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও খাদ্যের মান নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করা। বাশঁবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘটনায় সেই উদ্যোগের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। গার্ডিয়ান কমিটির কার্যকর তদারকির কারণেই ত্রুটিপূর্ণ ডিম বিতরণের আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পূর্ণভাবে এড়ানো গেছে।


উল্লেখ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের নির্দেশনায় গত ১৮ মে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মায়েদের অংশগ্রহণে ৫ সদস্যবিশিষ্ট গার্ডিয়ান কমিটি গঠন করা হয়। স্কুল ফিডিং কার্যক্রমসহ শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করাই ছিল এ কমিটি গঠনের মূল উদ্দেশ্য।


সম্পর্কিত খবর

;