২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সব আসামি খালাস

প্রকাশ : 01 Dec 2024
২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সব আসামি খালাস

স্টাফ রিপোর্টার: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ দন্ডিত সব আসামি খালাস পেয়েছেন। রোববার (১ ডিসেম্বর) সকালে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনর সমন্বয় গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেন।
এর আগে গত ২১ নভেম্বর একই বেঞ্চে আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ শেষ হয়। আজ রায় ঘোষণা করা হলো।
২০১৮ সালে বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। এটি ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। কোনফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে কোনো আসামির মৃত্যুদন্ড হলে কা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে।
পাশাপাশি দন্ডাদেমের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল করার সুযোগ আছে।
গত ৩১ অক্টোবর বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামীলীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২০০১-২০০৬ আমলের বিএনপি জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সারাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দেয়া হয়। 
মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী,কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইনসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়। এছাড়া ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে দন্ড দেয় আদালত। এরপর ওউ বছর হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স আসে। পাশাপাশি দন্ডিত আসামিরা আপিল দায়ের করেন।
২০০২ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মিতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার  মামলা দুটির নতুন করে তদন্ত শুরু করে। ২০০৮ সালে ২২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। আওয়ামীলীগ আমলে অধিকতর তদন্ত হয়। এরপর তারেক রহমানসহ ৩০জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ২০১৮ সারের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলার রায় দেন।। 

সম্পর্কিত খবর

;