স্টাফ রিপোর্টার: এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু জানিয়েছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কেউ যদি বাধা সৃষ্টি করে, তবে তা জনমত তৈরি করে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে।
আজ রাজধানীর বেইলি রোডস্থ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভায় “জুলাই সনদ”-এর খসড়া ও ঘোষণাপত্র নিয়ে আলোচনা শেষে ব্রিফিংকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আলোচনায় এবি পার্টির পক্ষ থেকে আরও অংশগ্রহণ করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আবদুল হক।
তিনি বলেন, “এতোদিন ধরে আলোচনার পরেও জুলাই সনদ কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, তা পরিস্কার না হলে জনমনে ধোঁয়াশা তৈরি হতে পারে।”
খসড়া সনদ চূড়ান্ত করার পর রাজনৈতিক দলগুলোর দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি থাকে:
১. শুদ্ধভাবে সনদটি প্রস্তুত করা
২. বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা
"এই সনদ বাস্তবায়নের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার পরেই কেবল আমরা এতে স্বাক্ষর করতে পারি।"
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, কিছু বিষয়ে বিএনপি ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) দিয়েছে। সেগুলো কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, সে বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
তবে মঞ্জু আশাবাদী হয়ে বলেন, “ইতিবাচক দিক হলো—আমরা অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরস্পরের সঙ্গে একমত হতে পেরেছি।”
এছাড়া তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির কাছে ৬টি বিষয়ে ক্ষমতা সংরক্ষণ রাখার বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
দলের অপর নেতা ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান বলেন,তড়িঘড়ি করে সনদ তৈরি করলে তা জাতির জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না।
“সনদের বিষয়টি নিছক একটি কাগজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। এর আইনি ভিত্তি থাকতে হবে। তাড়াহুড়ো না করে প্রয়োজন হলে কিছু অতিরিক্ত সময় নিয়ে ধীরস্থিরভাবে এই কাজটি সম্পন্ন করা উচিত।
আমরা লক্ষ্য করছি কিছু রাজনৈতিক দল সনদটি দ্রুত তৈরি করে পরবর্তী সংসদে ঠেলে দিতে চাইছে। কিন্তু গত ৫৩ বছরের সংসদ কার্যক্রমের ইতিহাস তো আমাদের সামনে আছে। সংসদ কখনোই খুব কার্যকর ছিলো—এমনটা বলা যাবে না।
তাই ঐকমত্য কমিশনের ঘোষণাপত্রকে ভিত্তি ধরে সময় নিয়ে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর সনদ তৈরি করা প্রয়োজন।
গণঅভ্যুত্থানে জাতি যে ত্যাগ স্বীকার করেছে, সেটির বাস্তব ফল না এলে তা হবে দুর্ভাগ্যজনক।
আমরা এখনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা ও পরস্পরের প্রতি ছাড় দেওয়ার মানসিকতা দেখতে পাচ্ছি না।
সভায় দলের আরেক নেতা ব্যারিস্টার সানী আবদুল হক বলেন,“উচ্চকক্ষকে আমরা শোভাবর্ধনকারী একটি পার্লামেন্ট হিসেবে দেখতে চাই না। এটি অবশ্যই কার্যকর হতে হবে। এবি পার্টি নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রত্যাশা করে।
সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবে এবি পার্টি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছে, এবং কমিশন আমাদের আপত্তি পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।”
মিডিয়া ব্রিফিংকালে এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আখতার হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্স, এবি পার্টির নেতা মোহাসিনুল হক, এবি যুব পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সদস্য সচিব মাহফুজুর রহমান ইমতু ও ছাত্রপক্ষের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ফারজানা মিতু।
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর আখতারুজ্জামানকে (অব.) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ডিও ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় পিএসসির সুপারিশপ্রাপ্ত ৬৬৮ জনের মধ্যে ৬১১ জনকে নিয়োগ দিয়ে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। তবে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জনকারীসহ ৫৭ জনের নাম গেজেট থেকে বা ...
চট্টগ্রাম অফিস: বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং-বি-১৮০৩) এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬ ও বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩০/০৯/২০২ ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর মিরপুরে প্রায় ৫০ বছরের পুরনো রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে অবশেষে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য পদ থেক ...
সব মন্তব্য
No Comments