নাটোরে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশ : 28 Sep 2024
নাটোরে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ

নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের সিংড়ায় ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেছে প্রতিবেশি যুবক রবিউল ইসলাম। গৃহবধূর স্বামী প্রতিদিনের মতো রাত ১ টায় বাড়ির পাশের বিলে মাছ ধরতে যান। এই সুযোগে রবিউল বাড়ির রেলিং দিয়ে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে ধর্ষণ করে। কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনা জানার পর পুলিশ পরিবারের কাছ থেকে মামলা নিয়েছে এবং ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করছে। সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সভাপতি প্রকৌশলী শম্পা বসু ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. দিলরুবা নূরী যৌথ বিবৃতিতে গৃহবধূর উপর এই নির্মম নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।


বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘একটি দেশ কতখানি সভ্য ও উন্নত তার প্রমাণ পাওয়া যায় সেই দেশের নারী ও শিশুদের সার্বিক পরিস্থিতি কেমন তার বিচারে। প্রায় প্রতিদিন প্রত্রিকার পাতায় এরকম অসংখ্য নারী নির্যাতন, ধর্ষণের খবর পত্রিকায় আসতে থাকে। একেক ক্ষেত্রে ঘটনা একেক রকম হলেও মূল সংকট হলো পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গী। নারী মানুষ নয়, নারী হলো ভোগের বস্তু, মুনাফার পণ্য। পরিবার, স্কুল, কলেজ, পাঠ্যবই, সিনেমা, বিজ্ঞাপন, পাড়ায় পাড়ায় ওয়াজের মাধ্যমে এই চিন্তা সমাজে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। নারীকে মানুষ হিসেবে সামাজিক মর্যাদা প্রদানের রাষ্ট্রীয় কোন উদ্যোগ এ যাবতকালে নেয়া হয় নাই। আইনগত ভাবেই নারী বৈষম্যের শিকার!’


নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, অবিলম্বে সকল ধরনের নারী নির্যাতন-ধর্ষণ এর সাথে যুক্ত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ বিচার না হলে অপরাধীরা প্রশ্রয় পায়। নারী সম্পর্কিত বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গী সমাজে জায়েজ হয়ে যায়। নারী ও শিশুদের বেড়ে ওঠা, শিক্ষা ক্ষেত্রে, কর্মক্ষেত্রে এবং সর্বোপরি পরিবারে ও সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকরী উদ্যোগ নেয়া রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। যা স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও নিশ্চিত করা যায় নি।’

অবিলম্বে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।



নাটোরের সিংড়ায় ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেছে প্রতিবেশি যুবক রবিউল ইসলাম। গৃহবধূর স্বামী প্রতিদিনের মতো রাত ১ টায় বাড়ির পাশের বিলে মাছ ধরতে যান। এই সুযোগে রবিউল বাড়ির রেলিং দিয়ে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে ধর্ষণ করে। কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনা জানার পর পুলিশ পরিবারের কাছ থেকে মামলা নিয়েছে এবং ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করছে। সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সভাপতি প্রকৌশলী শম্পা বসু ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. দিলরুবা নূরী যৌথ বিবৃতিতে গৃহবধূর উপর এই নির্মম নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।


বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘একটি দেশ কতখানি সভ্য ও উন্নত তার প্রমাণ পাওয়া যায় সেই দেশের নারী ও শিশুদের সার্বিক পরিস্থিতি কেমন তার বিচারে। প্রায় প্রতিদিন প্রত্রিকার পাতায় এরকম অসংখ্য নারী নির্যাতন, ধর্ষণের খবর পত্রিকায় আসতে থাকে। একেক ক্ষেত্রে ঘটনা একেক রকম হলেও মূল সংকট হলো পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গী। নারী মানুষ নয়, নারী হলো ভোগের বস্তু, মুনাফার পণ্য। পরিবার, স্কুল, কলেজ, পাঠ্যবই, সিনেমা, বিজ্ঞাপন, পাড়ায় পাড়ায় ওয়াজের মাধ্যমে এই চিন্তা সমাজে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। নারীকে মানুষ হিসেবে সামাজিক মর্যাদা প্রদানের রাষ্ট্রীয় কোন উদ্যোগ এ যাবতকালে নেয়া হয় নাই। আইনগত ভাবেই নারী বৈষম্যের শিকার!’


নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, অবিলম্বে সকল ধরনের নারী নির্যাতন-ধর্ষণ এর সাথে যুক্ত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ বিচার না হলে অপরাধীরা প্রশ্রয় পায়। নারী সম্পর্কিত বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গী সমাজে জায়েজ হয়ে যায়। নারী ও শিশুদের বেড়ে ওঠা, শিক্ষা ক্ষেত্রে, কর্মক্ষেত্রে এবং সর্বোপরি পরিবারে ও সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকরী উদ্যোগ নেয়া রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। যা স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও নিশ্চিত করা যায় নি।’

অবিলম্বে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।


সম্পর্কিত খবর

;